এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর সুযোগ নেই, ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে শিক্ষা বোর্ড
আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এক মাস পেছানোর দাবি জানিয়েছে একদল শিক্ষার্থী। তবে এই দাবি অযৌক্তিক এবং বাস্তবসম্মত নয় বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার সরঞ্জাম সব কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এখন পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।


কিছু শিক্ষার্থী ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে পরীক্ষা এক মাস পিছিয়ে দেওয়ার দাবি তোলে। তারা আরও দাবি জানায়, প্রতিটি পরীক্ষার মাঝে তিন থেকে চারদিন বিরতি দেওয়া হোক। তাদের যুক্তি, রমজান মাসে রোজা রেখে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ঈদের পরপরই পরীক্ষা থাকায় পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাচ্ছে না।
তবে শিক্ষাবোর্ডের মতে, এই দাবি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র হতে পারে।
এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেন, পরীক্ষা পেছানোর দাবি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি। এটি একটি ফেসবুকভিত্তিক প্রচারণা। আমাদের কাছে তথ্য আছে যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখেই অংশ নিতে প্রস্তুত।
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ প্রায় ৮-৯ মাস আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। তাই শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য যথেষ্ট সময় ছিল।
তারা আরও বলেন, দেশে কোনো বড় দুর্যোগ বা সংকট দেখা না দিলে সাধারণত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তনের সুযোগ থাকে না। তাই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত না হয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
উল্লেখ্য, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষা ১০ এপ্রিল শুরু হয়ে ১৩ মে পর্যন্ত চলবে। এরপর জুন মাসে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।