‘প্রধানমন্ত্রীর সততা, সাহস ও দূরদর্শিতার সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ’

নিজস্ব প্রতিবেদক:নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ৮:২২ অপরাহ্ণ, ০৯/১০/২০২১

প্রধানমন্ত্রীর সততা, সাহস ও দূরদর্শিতার জন্য আজকে সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ-বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, এমপি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোবাইল ফোনের মনোপলি ভেঙে দিয়েছিলেন বলেই আজকের বাংলাদেশ। তারই সততা , সাহস ও দূরদর্শিতার জন্য আজকে সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ। এই একটি সিদ্ধান্ত জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশে অনেক এগিয়ে গিয়েছে।

শনিবার (৮অক্টোবর) নবাবগঞ্জ উপজেলার ওয়াসেফ মিলনায়তনে- নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার আইটি বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা এবং একই সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের আওতায় নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলায় ২২ টি ইউনিয়নে কানেক্টিভিটি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্য এসব কথা বলেন।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সম্প্রতি সফর করেছি জানিয়ে সালমান এফ রহমান বলেন, ‘সবাই কিন্তু একটি প্রশ্ন করে তোমাদের প্রধানমন্ত্রী কিভাবে দেশটা এই পর্যায়ে নিয়ে আসছে, তারা কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। এখন প্রতিটি সেক্টরেই উন্নতি হয়েছে।

এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের আওতায় নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলায় ২২ টি ইউনিয়নে কানেক্টিভিটি উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় বিশেষ অতিথি’র হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি।

আমরা খুব সহজেই অতীত ভুলে যায় জানিয়ে সালমান এফ রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাঝে মাঝে বলেন লোডশেডিং করা উচিত। এজন্য যে এখনতো সবাই ভুলে গেছে লোডশেডিং কি। অথচ আগে কি ছিলো? আমরা স্বভাবতই অতীত ভুলে যাই।

Nagad

তিনি বলেন, ৯৬ সালে যখন প্রথম ক্ষমতায় আসেন; তখন আমি এফবিসিআই-এর সভাপতি। সে তিনটি ফাইল আমাকে দেখিয়েছিলেন, যে ফাইলগুলো ছিলো মোবাইল ফোনের লাইসেন্সের ফাইল। সব কাজ শেষ। প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করলেই; লাইসেন্স পাবে। তখন যে তিনটি কোম্পানি মোবাইল ফোনের লাইসেন্স পেয়েছিলো তারা সবাই বিএনপির। তাদের কোনো টাকা-পয়সা লাগে নি। তারা তখন বিশ্বাস করতে পারেনি। টাকা পয়সা ছাড়া লাইসেন্স পেয়ে গেলো।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আজকে নবাবগঞ্জের প্রতিটি বাড়ি বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত, এখানে ফ্রিল্যান্সাররা উচ্চ গতির ইন্টারনেট চায়, শিক্ষকদের দাবি আরও বেশি কম্পিউটার ল্যাব চয়, জনপ্রতিনিধিরা প্রযুক্তিতে আরও বিনিয়োগ আসে, তার জন্য তা হাইটেক পার্ক, শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার চায়। অথচ ১২ বছর আগে এই এলাকার মানুষর দাবি ছিলো, বিদ্যুতের সংযোগ, এলাকার মানুষের দাবি ছিলো, রাস্তার মেরামত , কাঁচা রাস্তা পাকা করন করা-এই দাবিগুলো প্রধানমন্ত্রী পূরণ করেছে বলেই, কিন্তু উন্নত জীবনে যাওয়ার জন্য নতুন নতুন দাবি উত্থাপন আজকে হচ্ছে।

দোহারে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে এখানে এসে মনে হচ্ছে ঢাকারই অন্য একটি এলাকায় এসেছি। ঢাকার গুলশান-বনানী আর নবাবগঞ্জের বাজার, মার্কেট শপিং মল তেমন কোন পার্থক্য নেই। এই শহর এবং গ্রামের পার্থক্য দূর করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই ১২ বছরের মধ্যে একটা দরিদ্র রাষ্ট্র থেকে মধ্যম আয়ের মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। এটা কি এমনি এমনি হয়ে গেল।

অনুষ্ঠানে ঢাকার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শহীদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব বিকর্ণ কুমার ঘোষ, ঢাকা জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম, আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।

সারাদিন/৯ অক্টোবর/ আর