সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ডিম-মুরগির

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৫৬ অপরাহ্ণ, ১৭/০৯/২০২১

সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ডিম ও মুরগির। অপরদিকে, অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। রাজধানীর বাজারগুলোতে মুরগি, ডিম ও সবজির দাম আরও বেড়েছে। পাকিস্তানি কক বা সোনালী মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা পর্যন্ত। ডজনে ডিমের দাম বেড়েছে ১০ টাকা। আর বিভিন্ন সবজির দাম কেজিতে ৫-১০ টাকা করে বেড়েছে।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী, যাত্রাবাড়ী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৫০-১৫৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০-১৪৫ টাকা। আর পাকিস্তানি কক বিক্রি করছেন কেজি ২৮০-৩০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৭০-২৮০ টাকা। এর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ২২০-২৩০ টাকা।

মুরগির দাম বাড়ার বিষয়ে কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী মো. লিয়াকত বলেন, খামারে মুরগির উৎপাদন কমেছে। অপরদিকে বাজারে বেড়েছে মুরগির চাহিদা। এ কারণেই দাম বেড়েছে। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।

রামপুরার ব্যবসায়ী মো. আল মামুন বলেন, পাইকারিতে মুরগির দাম অনেক। কয়েকদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে সোনালী মুরগির দাম কেজিতে ১০০ টাকার মতো বেড়েছে। ফলে যে মুরগি কয়দিন আগে আমরা ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি এখন তা ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা গত সপ্তাহের মতো শীতের আগাম সবজি শিমের কেজি বিক্রি করছেন ১২০-১৪০ টাকা। গাজর ও টমেটোর কেজি বিক্রি করছেন ১০০-১২০ টাকা। এ দুটি সবজির দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

Nagad

তবে দাম বেড়েছে ঝিঙে, চিচিঙ্গা, বরবটি, ঢ্যাঁড়শ, পটল, করলার। ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০-৬০ টাকা। করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০-৭০ টাকা। চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা।

এছাড়া পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা। ঢ্যাঁড়শের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৬০-৭০ টাকার মধ্যে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকার মধ্যে। বরবটির কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০-৭০ টাকা।

কাঁচা পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা, কাঁচকলার হালি ২-৩০ টাকা, লাল শাকের আঁটি ২০-৩০ টাকা, মুলা শাকের আঁটি ১৫-২০ টাক, কলমি শাকের আঁটি ৫-১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এগুলোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩৮০ টাকা। মৃগেল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৮০ টাকা। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে। পাবদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৬০০ টাকা। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৬০ টাকা।

আগের মতো বাজারে ছোট-বড় সব ধরনের ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে। তবে দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। বড় (এক কেজির ওপরে) ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১৩০০ টাকা। মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকা কেজি। আর ছোটগুলো বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে। সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।