দেশে জনসনের টিকার জরুরি অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক:নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ৮:৫৬ অপরাহ্ণ, ১৫/০৬/২০২১

জনসন অ্যান্ড জনসনের তৈরি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) টিকা দেশে জরুরি চিকিৎসায় ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন। ষষ্ঠ টিকা হিসেবে ব্যবহারের অনুমোদন পেল আমেরিকান কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেলজিয়ান অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান জ্যানসেন ফার্মাসিউটিক্যালসের উৎপাদিত এ প্রতিষেধক।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ টিকার অনুমোদনের কথা জানানো হয়।

জনসনের টিকাটি এক (সিঙ্গেল) ডোজের এবং এর সংরক্ষণ তাপমাত্রা ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এতে বলা হয়, জানসেন-ক্লিয়াগ ইন্টারন্যাশনাল এনবি, বেলজিয়াম উৎপাদিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ইমার্জেন্সি ইউজ অথরাইজেশন (ইইউএ) প্রদানের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডিরেক্টর এমএনসি অ্যান্ড এইচ-এর মাধ্যমে ঔষধ প্রশাসনে আবেদন করা হয়।

আবেদনের প্রেক্ষিতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ভ্যাকসিনটির ডোসিয়ার (ক্লিনিক্যাল পার্ট, সিএমসিপার্ট এবং রেগুলেটরি স্ট্যাটাস) মূল্যায়ন করে কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে ওষুধ ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, ভ্যাকসিন এবং মেডিকেল ডিভাইস মূল্যায়নের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে ইইউএ প্রদান করে।

গত ১২ মার্চ ভ্যাকসিনটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পায়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও ১১ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়ন জরুরি ব্যবহারে জানসেনের টিকার অনুমোদন দেয়।

Nagad

ভ্যাকসিনটি ১৮ বছর এবং তার উপরের বয়সের ব্যক্তির জন্য ব্যবহারযোগ্য। বেলজিয়ামে তৈরি ভ্যাকসিনটি এক ডোজের, এটি সরকারের ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী নির্ধারিত বয়সের ব্যক্তিদের মধ্যে প্রদান করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এর সংরক্ষণ তাপমাত্রা ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দেশে এর আগে অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদিত টিকা ‘কোভিশিল্ড’, রাশিয়ার তৈরি ‘স্পুতনিক–ভি’, চীনের ‘সিনোফার্ম’ ও ‘সিনোভ্যাক’ এবং ফাইজার–বায়োএনটেকের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়।

সারাদিন/১৫জুন/