সবাই বলে টিকা দেবে কিন্তু হাতে আসছে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ৪:৩১ অপরাহ্ণ, ১০/০৬/২০২১

ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। বিভিন্ন দেশ থেকে সময়মতো টিকা না আসায় আক্ষেপ প্রকাশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেন, করোনাভাইরাসের অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকার ঘাটতি পূরণের জন্য বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশকে টিকা পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০জুন) ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের কাছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দুপুরে ওষুধ হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আছে জেনে তাদের অনুরোধ জানালাম। পরে জানা গেল, করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা কম বলে যে দেশগুলোতে টিকা দেওয়া হবে তার অগ্রাধিকারের তালিকায় বাংলাদেশ নেই। পরে অবশ্য আমরা জেনেছি আমাদের অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেবে। এ ছাড়া কোভ্যাক্স থেকেও দেবে সেটা বলেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে টিকা পাওয়ার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।

এদিকে আগামী ১৩ জুন চীন থেকে ৬ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আসবে বলেও জানান তিনি। এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক এস এম শফিউজ্জামান।

করোনার টিকা সর্বজনীন করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রথম থেকেই বলে আসছেন যে, টিকা যেন সর্বজনীন পণ্য হিসেবে গণ্য হয়। আর সব দেশের লোকের তা বৈষম্যহীনভাবে পাওয়া উচিত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে মোট টিকার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ আছে ধনী দেশের কাছে। মাত্র শূন্য দশমিক তিন শতাংশ আছে গরিব দেশগুলোর কাছে। এ জন্য টিকা নিয়ে হাহাকার। কেউ টিকা পাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, দেশে করোনা টিকার যৌথ উৎপাদনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। যেসব কোম্পানির সক্ষমতা আছে, পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তারা উৎপাদনে যেতে পারে। উৎপাদনে সফল হলে পরবর্তীতে আমরা নিজেরাই টিকা রপ্তানি করতে পারব।

Nagad