ইতিহাস সৃষ্টি করে ৫০ মডেল মসজিদের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ, ১০/০৬/২০২১

বিশ্বের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে দেখা থাকবে একটি নাম। তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) একযোগে ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করে এই ইতিহাস সৃষ্টি করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নব-নির্মিত এসব প্রতিটি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ৪৩ শতাংশ জায়গার ওপর তিন ক্যাটাগরিতে নির্মাণ করা হয়। বিশ্বে এই প্রথম কোনো সরকার প্রধান নিজস্ব পরিকল্পনায় এতো বড় বাজেটে এতগুলো অবকাঠামো নির্মাণ করলেন।

এই মসজিদগুলো যেমন বাহির থেকে দেখতে খুব আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন। শুধু বাহির থেকে নয়; মসজিদের ভিতরেও অনেক সুন্দরকরে তৈরি করা হয়েছে। জানা যায়, চলতি অর্থবছরে আরও ১০০টি মসজিদ নির্মাণ শেষ হবে।

জানা যায়, লাইব্রেরি, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, দাওয়াতি কার্যক্রমসহ বহুমুখী কাজের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে এসব মসজিদ, যা মফস্বল থেকে ঢাকা পর্যন্ত ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের একটি চেইন হিসেবে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের। সরকারপ্রধানের নেওয়া মডেল মসজিদের উদ্যোগ এখন বাস্তব ভিত্তি পাচ্ছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগে এরই মধ্যে ৫০টি মসজিদের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

আজ বৃহস্পতিবার (১০জুন) যে ৫০টি উপজেলায় মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হয়েছে।

Nagad

ঢাকার সাভার, চাঁদপুরের কচুয়া, কুমিল্লার দাউদকান্দি, নোয়াখালীর সুবর্ণচর, ফরিদপুরের মধুখালী ও সালথা, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচর, মানিকগঞ্জের শিবালয়, রাজবাড়ী সদর, শরীয়তপুর সদর ও গোসাইরহাট, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, শেরপুর ও কাহালু, নওগাঁর সাপাহার ও পোরশা, সিরাজগঞ্জ জেলা সদর ও উপজেলা সদর, পাবনার চাটমোহর, রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও পবা, দিনাজপুরের খানসামা ও বিরল, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, পঞ্চগড়ের সদর ও দেবীগঞ্জ উপজেলা সদর, রংপুর জেলা সদর, মিঠাপুকুর উপজেলা সদর, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর, চুয়াডাঙ্গার সদরে, ময়মনসিংহের গফরগাঁও ও তারাকান্দা, চট্টগ্রাম জেলা সদর, লোহাগড়া, মিরসরাই ও সন্দ্বীপ, জামালপুরের ইসলামপুর ও উপজেলা সদর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও বিজয়নগরে, ভোলা সদর, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, খাগড়াছড়ির পানছড়ি, কুষ্টিয়া সদর, খুলনার জেলা সদর এবং ঝালকাঠির রাজাপুর।

এদিকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে সারাদেশে ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করা হবে। যার ব্যয় ৮ হাজার ৭২২ কোটি টাকা।আরব

বিশ্বের আদলে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদগুলোতে রয়েছে নানা সুবিধা;

নারী-পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের টয়লেটসহ নামাজের পৃথক ব্যবস্থা, ইসলামি বই বিক্রয় কেন্দ্র, ইসলামিক লাইব্রেরি, অটিজম কর্নার, ইমাম ট্রেনিং সেন্টার, ইসলামিক গবেষণা ও দীনি দাওয়া কার্যক্রম, হেফজখানা, শিশু ও গণশিক্ষার ব্যবস্থা, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আবাসন ও অতিথিশালা, মরদেহ গোসল ও কফিন বহনের ব্যবস্থা, হজ যাত্রীদের নিবন্ধনসহ প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ ও গাড়ি পার্কিং, ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা।

সারাদিন/১০জুন/ আরএসটি