দৌলতদিয়ায় ৭ নং ফেরিঘাটে ভাঙন, ঠেকানো যাচ্ছে না ধস

রাজবাড়ী সংবাদদাতারাজবাড়ী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ৪:১৭ অপরাহ্ণ, ০৮/০৬/২০২১

দেশের ২১ জেলার গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়ার ৭নং ফেরি ঘাটে পদ্মায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে ওই ঘাট দিয়ে লোড-আনলোড বন্ধ রয়েছে। এতে ঘাটে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া অন্য ঘাটগুলোও ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ ব্যবস্থা না নিলে ঘাট সংলগ্ন অর্ধশতাধিক বাড়িও ভাঙনের কবলে পড়তে পারে।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. ফিরোজ শেখ জানান, ঘাট দেখভালের কাজ করে বিআইডব্লিউটিএ। আমরা শুধু ফেরি সার্ভিস দেখি। ৭ নং ফেরিঘাট চালুর পর থেকেই ঘাট এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যেই বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষকে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

২০১৯ সালের ৪ অক্টোবর নদীতে বিলীন হয়ে যায় দৌলতদিয়ার এক নম্বর ফেরিঘাট। এর কয়েকদিন পরই দুই নম্বর ঘাটটিও পদ্মায় ভেঙে যায়। তারপর থেকে ছয়টি ঘাটের মধ্যে চারটি ঘাট দিয়ে যানবাহন ফেরিতে ওঠানামা করে আসছে। এর মধ্যে ছয় নম্বর ফেরিঘাটটি শুধু সচল থাকে বর্ষা মৌসুমে। ফলে ছয়টি ঘাটের মধ্যে সারা বছর সচল থাকে তিন, চার ও পাঁচ নম্বর ঘাট।

ঘাট সঙ্কটের কারণে গত বছর নতুন করে তৈরি করা হয় সাত নম্বর ফেরিঘাট। প্রতি বছর নদীতে পানি বৃদ্ধি এবং কমার সময় নদীর পাড় এলাকায় ভাঙন শুরু হয়। এবারও বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে দৌলতদিয়ায় ৭ নং ফেরিঘাট এলকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। সেই সঙ্গে ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে ঘাট এলাকার অর্ধশত বসতবাড়ি-ঘরসহ অন্য ঘাটগুলো।

গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সী জানান, উপজেলার পক্ষ থেকে দৌলতদিয়ার ঘাট ভাঙন বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জানানো হয়েছে। নদী ভাঙন ঠেকাতে নদী শাষন করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে নদী শাষনের কাজ শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান তিনি।

দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে ফেরিঘাটগুলো নদীতে বিলীন হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

Nagad

সারাদিন/৮জুন/এএইচ