নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে আবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় হেফাজত নেতারা

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:৪২ পূর্বাহ্ণ, ০৫/০৫/২০২১

হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধ করে গ্রেফতারকৃত নেতাদের মুক্তি দিতে ও মাদরাসাগুলো খুলে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির মহাসচিব ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব নূরুল ইসলাম জিহাদীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার (৪ মে) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে তারা এ অনুরোধ জানান।

জানা গেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানও রয়েছেন। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল হেফাজতের অন্তত ১০ জন শীর্ষ নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় বৈঠকে বসেন।

নূরুল ইসলাম জিহাদী সাংবাদিকদের বলেন, ‌‘হেফাজতের গত আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে গ্রেফতারকৃত আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ সাধারণ মুসলিমদের দেশব্যাপী গ্রেফতার অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। ফলে পবিত্র রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগি করতে না পেরে অজানা আতঙ্কে দিন পার করছেন আলেম-ওলামা ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ।’

‘আমরা আজকের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছি, গ্রেফতার-আতঙ্ক ও হয়রানি থেকে তাদের মুক্তি দেয়া হোক। বিশেষ করে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণগ্রেফতার চলছে। এতে করে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পবিত্র রমজান মাসে আলেম-ওলামা ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের হয়রানি বন্ধ করতে উনার কাছে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছি।’

বৈঠকে অংশ নেয়া হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ছিলেন দলটির নায়েবে আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজী, মামুনুল হকের ভাই বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান (দেওনার পীর), মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী প্রমুখ।

Nagad

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ৫০ বছর ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের বিরোধিতা করে আন্দোলন করে হেফাজতে ইসলাম। তখনো হেফাজতের শীর্ষ নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ না করেই একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। তবে ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের প্রভাবশালী নেতা মাওলানা মামুনুল হক আটক হলে নড়েচড়ে বসে সরকার।