মুনিয়ার মৃত্যু : হুইপপুত্র শারুনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ৪:৫০ অপরাহ্ণ, ০২/০৫/২০২১

কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার আত্মহত্যার ঘটনায় জাতীয় সংসদের হুইপ শামসুল হক চৌধুরীর ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেছেন মুনিয়ার ভাই আশিকুর রহমান সবুজ।

রবিবার ( ২ মে) এই মামলা দায়ের করা হয়। মুনিয়ার পারিবারিক সূত্র থেকে এই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে।

রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হওয়া মুনিয়া ও শারুনের কথোপকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে হুইপপুত্র শারুন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

শারুন সাংবাদিকদের জানান, মুনিয়ার সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। গত বছর হোয়াটসঅ্যাপে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে মেয়েটি। তখন শারুন তাকে জানান, মুনিয়া যার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন, সেই একই ব্যক্তির সাথে তার সাবেক স্ত্রীর সম্পর্ক ছিল।

গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন রাতেই মুনিয়ার বড় বোন বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে একমাত্র আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন।

মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার পর পুলিশের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে আনভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। পরে গ্রেফতার এড়াতে হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেন তিনি। গত ২৯ এপ্রিল হাইকোর্টের যে বেঞ্চের কার্যতালিকায় আনভীরের আগাম জামিনের আবেদনটি শুনানির জন্য ছিল, সেই বেঞ্চ ‘লকডাউন’ ও মহামারির এই পরিস্থিতিতে আগাম জামিনের শুনানি করবে না বলে জানায়।

Nagad

এদিকে, মুনিয়া হত্যা মামলার ফরেনসিক রিপোর্ট পেতে আরো দেড় থেকে দুই মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই রিপোর্ট হাতে পেলেই উন্মোচিত হবে মুনিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য।

গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজ শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে কুমিল্লায় মরদেহ দাফন করা হয়। ময়নাতদন্ত করার পর কেটে গেছে ৫ দিন।