শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডা. মাহবুবুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক:নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ১০:১২ অপরাহ্ণ, ০১/০৫/২০২১

খুলনার শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রথম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ নিয়োগ দেয়া হয়।

গত ১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে খুলনায় একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আইনে অনুমোদন দেয় জাতীয় সংসদ। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিল-২০২১’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এটা নিয়ে দেশে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হবে পাঁচটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রূপসা নদীর পশ্চিম পাড়ে মাথাভাঙ্গা মৌজায় শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১০০ একর জমির সংস্থান আছে। সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির আর প্রয়োজন হবে না। খাস জমির ওপরেই গড়ে উঠবে দক্ষিণাঞ্চলের মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এর আগে গত বছরের ১৩ জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০ নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়। এরপর ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা আইন ২০২০’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

বিশেষজ্ঞ গবেষক তৈরি করার লক্ষে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা এবং স্নাতক পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খুলনা বিভাগে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা প্রধান উদ্দেশ্য। এটা প্রতিষ্ঠিত হলে খুলনা অঞ্চলের মধ্যে যত মেডিকেল কলেজ, নার্সিং ইনস্টিটিউট বা অন্যান্য চিকিৎসা সংক্রান্ত যেসব ইনস্টিটিউট থাকবে, সবই খুলনা শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে আসবে।

Nagad

এদিকে প্রজ্ঞাপনে চারটি শর্তে ডা. মাহবুবুর রহমানকে এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। শর্তগুলো হলো:-

১. উপাচার্য হিসেবে তার নিযুক্তির মেয়াদ চার বছর হবে।

২. উপাচার্য ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা, আইন. ২০২১ এর ১৩ ধারা অনুযায়ী তার দায়িত্বাবলী পালন করবেন।

৩. তিনি নিয়মিত চাকরির বয়স পূর্তিতে মূল পদ থেকে অবসরগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদন শেষে উপাচার্য পদের অবশিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ করবেন।

৪. মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও আচার্য প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, জনস্বাথে জারি করা এ আদেশ যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

সারাদিন/১মে/ আরএস