এত ক্ষয়, এত মৃত্যু, এত হাহাকার!

বিনোদন প্রতিবেদক:বিনোদন প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ৪:১৭ অপরাহ্ণ, ০১/০৫/২০২১

দুই বাংলায় সমান জনপ্রিয় অভিনেত্রী বাংলাদেশের জয়া আহসান। দেশে একাধিকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ভারতেও দুইবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেন এই অভিনেত্রী।

কাজের কারণে ওপার বাংলায়ও তার সহকর্মীর সংখ্যা কম নয়। আর বতর্মানে ভারতে প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড হচ্ছে। এর সঙ্গে বাদ যাচ্ছেন না টালিগঞ্জের জয়ার অনেক বন্ধু।

প্রিয় সেসব সহকর্মীদের জন্য দুশ্চিন্তায় সময় কাটছে বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসানের৷ এ নিয়ে তিনি এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন ফেসবুকে৷

স্ট‍্যাটাসে জয়া লেখেন, ‘মনটাকে জাগিয়ে রাখা কী যে কঠিন মনে হচ্ছে আজকাল। এত ক্ষয়, এত মৃত্যু, এত হাহাকার! চারদিকে যেন শুধু একটাই চিহ্ন, বিয়োগের। আমাদের কত না আপনজন উষ্ণ হাতের মুঠো ছেড়ে বিদায় নিচ্ছেন। যারা আমাদের আনন্দের সময়ের বন্ধু, বেদনার সময়ের আশ্রয়, বিপদের সময়ের ভরসা, তারা চলে যাচ্ছেন একে একে।

চলে গেলেন সৌমিত্র কাকুর মতো মেঘ– সমান উঁচু একজন মানুষ, চলে গেলেন আরও কত কত কবি, লেখক, শিল্পী। ঢাকায়, কলকাতায় একই অন্ধকার ছবি। সমস্ত ভারতেই করোনার ভয়ংকর থাবায় মানুষ বড় নিঃসহায়।

মন খারাপ করা নিউজ ফিডের সোশ্যাল মিডিয়া যেন মৃত্যুর প্রান্তর। খবরের কাগজ হাতে নেওয়ার আগেই বুক ধক করে ওঠে, আজ জানি আবার কে!

Nagad

কলকাতায় আমার বন্ধু সহকর্মীদের কথা ভাবি। কতদিন দেখা হয়নি। অসম্ভব কষ্টের একটা সময় পার করছে তারা। একটা করে মন্দ খবর শুনি, আর আমার মনটা নিভে আসে একটু একটু করে।

যাদের সঙ্গে এতদিন ধরে কাজ করছি কলকাতায়, পরিচালক–শিল্পী–কুশলী–সহযোগী, শুনি তাদের কষ্ট, অসুস্থতা আর বিদায়ের খবর। আমার আলো কমে যায়।

আমার কেবলই মঙ্গল কামনা। আলো ফিরে আসুক সবার জীবনে। হতাশার এই অন্ধকারে মন যেন পথ না হারায়। তোমার মুক্তি আর আমার মুক্তি আলোয় আলোয়, এই আঁধারে। বন্ধুরা, মন শক্ত করে বাঁধো। সময় আসছে। আবার আমরা একসঙ্গে, হাতে হাত ধরে, প্রান্তরের শেষ রেখার দিকে ছুটব। ওই রেখাটা পার হতে এখনো যে বাকি।’


সারাদিন/১মে/এএইচ