সুপার লিগ থেকে বেরিয়ে গেল ৬ ইংলিশ ক্লাব

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:২৮ অপরাহ্ণ, ২১/০৪/২০২১

শুরুতেই বড় সড় ধাক্কা খেয়েছে ইউরোপিয়ান সুপার লিগ। মাত্র দুই দিন আগেই সুপার লিগের আবির্ভাব। এর মধ্যেই এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেল। তীব্র প্রতিবাদের মুখে দুই দিনের মাথায় ইউরোপিয়ান সুপার লিগ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিল ইংলিশ ক্লাবগুলো।

বেরিয়ে যাওয়া ছয়টি দল হলো ম্যানচেস্টার সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, আর্সেনাল, চেলসি, লিভারপুল ও টটেনহ্যাম।

শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে ৩টি লিগের ১৫টি (১২টির নাম প্রকাশ করা হয়েছে) ক্লাব মিলে সুপার লিগের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই সমর্থক থেকে শুরু করে সাবেক ফুটবলার ও কোচদের পক্ষ থেকে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। বিপক্ষে মত দেন টুর্নামেন্টে নাম লেখানো ম্যানচেস্টার সিটির পেপ গার্দিওলা থেকে শুরু করে লিভারপুলের কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপও। এমনকি আসরে নামেন খোদ ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং ফিফা ও উয়েফার প্রধানরাও।

এলিট ক্লাবগুলোর এই সুপার লিগে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তে বিশেষ করে ইংলিশ ক্লাবগুলোর সমর্থকরা বেশি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। যোগ দেন বর্তমান খেলোয়াড়রাও। নাম না লেখানো ক্লাবগুলো থেকেও আসে সমালোচনার ঢেউ। সেই সঙ্গে ফিফা, উয়েফা ও লিগ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিষেধাজ্ঞার হুমকি তো আছেই। যার জেরে সবার আগে নাম প্রত্যাহার করে নেয় ম্যানচেস্টার সিটি ও চেলসি। এরপর একই পথে হাঁটে আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লিভারপুল এবং টটেনহাম। টুর্নামেন্টের বাকি ছয় দল হলো-স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা ও অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ এবং ইতালির জুভেন্টাস, ইন্টার মিলান ও এসি মিলান।

গত রবিবার ১২ দলের সুপার লিগ ঘোষণা করা হয়। সুপার লিগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রিয়াল মাদ্রিদ প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। ‘ফুটবলকে বাঁচাতে’ এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি আয়োজক কর্তৃপক্ষের। তবে এমন উদ্যোগের কঠোর সমালোচনা করেছে ফিফা ও উয়েফা।

Nagad