গুচ্ছ ভর্তিতে স্বাস্থ্যবিধি গুরুত্ব পাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক:নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ১২:৪৬ অপরাহ্ণ, ২০/০৪/২০২১

১৯টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষায় সুরক্ষার বিষয়টি পাবে অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষাবিষয়ক টেকনিক্যাল সাব-কমিটির আহ্বায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর।

অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, গুচ্ছ ভর্তির আবেদন ১৫ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়ানো হয়েছে। করোনার কারণে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির জন্য আবেদন কমেছে। তাই সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভাগভিত্তিক পয়েন্টও কমানো হয়েছে।

তিনি বলেন, গুচ্ছ ভর্তিতে মানবিকে ও বাণিজ্যে এসএসসি-এইচএসসি মিলে মোট ৭ পয়েন্ট চাওয়া হলেও দুই বিভাগ থেকে পয়েন্ট কমিয়ে ৬ করা হয়েছে। ফলে দুই পরীক্ষায় ৬ পয়েন্ট থাকলে তারা আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন। তবে ৬ পয়েন্টধারীরা কবে থেকে আবেদন করতে পারবেন, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে জানিয়ে দেয়া হবে। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১ এপ্রিল দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে স্নাতক শ্রেণিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু হয়। ১৫ এপ্রিল আবেদন শেষ হয়। এ সময় প্রায় ৩ লাখ ২৪ হাজার আবেদন জমা পড়ে। তার মধ্যে ‘এ’ ইউনিট বিজ্ঞান বিভাগে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৩৮টি, ‘বি’ ইউনিট বাণিজ্য বিভাগে ৯১ হাজার ৫৩৫টি এবং ‘সি’ ইউনিটে মানবিকে ৪৬ হাজার ৭৩১টি আবেদন এসেছে। তবে লকডাউন বাড়ায় শিক্ষার্থীদের আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছ কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ২১ মে শুরু হবে বলে নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে করোনার প্রকোপ বাড়ায় সেটি পেছাতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে ঢাবি বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ আব্দুল মঈন বলেন, পরীক্ষার এখনো একমাস বাকি আছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো ডিনস কমিটিতে আলোচনা হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে পরীক্ষা পেছাতে পারে। তবে আমরা পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখছি।

Nagad

ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান বলেন, করোনা পরিস্থিতি যদি এমনই থাকে তাহলে একাডেমিক কাউন্সিল বিষয়টি নিয়ে ভাববে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হবে না।

সারাদিন/১৯এপ্রিল/এএইচ