বিমানের ৭টি বিশেষ ফ্লাইট বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক:নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ১০:২৮ অপরাহ্ণ, ১৭/০৪/২০২১

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আন্তর্জাতিক রুটে সব ফ্লাইট বন্ধ। তবে বাংলাদেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের জন‍্য বিশেষ ফ্লাইটের ব‍্যবস্থা করেছিল সরকার। কিন্তু অবতরণের অনুমতি না পাওয়া ও যাত্রী সংকটের কারণে ৭টি বিশেষ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) বিশেষ ফ্লাইট চালুর প্রথম দিনে মোট ১৪টি ফ্লাইট আসা ও যাওয়ার কথা ছিল। এরমধ্যে ১০টি যাওয়া ফ্লাইটের মধ্যে ৫টি বাতিল করা হয়। আর আসার ৪টি ফ্লাইটের মধ্যে দুটি বাতিল করা হয়। আসা-যাওয়া মিলিয়ে মোট ৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদ-উল-আহসান বলেন, আশা করি রোববারের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে। ফ্লাইটও বাড়বে। যাত্রী ভোগান্তির বিষয়ে সিভিল অ্যাভিয়েশন অবগত আছে। দেশটির এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে কতৃর্পক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

বিমান সূত্র আরও জানায়, আজকে সৌদি আরবে বিমানের আরও কিছু ফ্লাইট যাওয়ার কথা ছিলে এবং সেগুলোও বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের নিজ নিজ কর্মস্থলে পৌঁছানোর সুবিধার্থে আজ শনিবার ভোর থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহে সৌদি আরব, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরে প্রায় ১০০টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। গত ১৫ এপ্রিল এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ১১ এপ্রিল বেবিচক জানায়, ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন চলাকালীন সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। ১২ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দেওয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকবে।

Nagad

পরে গত ১৫ এপ্রিল এক আন্তঃমন্ত্রলায় বৈঠকে শনিবার থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহে সৌদি আরব, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরে প্রায় ১০০টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর বিধিনিষেধের আওতায় ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে অন্তত ৩০ হাজার পুরোনো ও নতুন কর্মীর বিদেশে গিয়ে কাজে যোগদান অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। জনশক্তি খাতের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিদেশে যাওয়ার ফ্লাইট খুলে দেওয়ার দাবি জানান।

সারাদিন/১৭এপ্রিল/এএইচ