ইবিতে সরস্বতী পূজা উদযাপন

বিদ্যার দেবী সরস্বতী। মূলত তাঁকে ঘিরেই সরস্বতী পূজার আয়োজন। মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে এই পূজার আয়োজন করে থাকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে নৃত্যের তালে তালে উদযাপন করে থাকে দিনটি। শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করে থাকে দিনটি।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও (ইবি) পূজা উৎসবে মেতেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে ধর্মালোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অতীশ কুমার জোয়ারদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা এবং প্রোক্টর অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন।

এসময় ধর্মালোচক হিসেবে ছিলেন গৌরাঙ্গ সংঘ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিকাশ চন্দ্র বসু। এছাড়াও হল প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোয়ারদার, খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রেবা মন্ডলসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন প্রিয়াঙ্কা কুণ্ডু ও শুভ্র সরকার।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বাণী অর্চনা ও ১২ টার দিকে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এসময় সরস্বতী দেবীর কাছে বিদ্যা প্রার্থনা করেন বিদ্যার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, ‘দেবী সরস্বতীকে আমরা বিনাপানি মনে করি। বিদ্যা ও ললিতকলার দেবী সরস্বতী দেবীদের মধ্যে অন্যতম একজন। এই দেবী শিক্ষার প্রেরণা যোগায়। জ্ঞান উদ্ভাবন ও সৃষ্টিশীলতা কখনো উপসংহারে পৌছায় না। এটি চমৎকারভাবে প্রতিকারিত হয়েছে দেবী সরস্বতীর মাধ্যমে। বিভিন্ন ধর্মে এই দেবী বিভিন্ন নামে পরিচিত।

সারাদিন/২৯ জানুয়ারি/