দাম বেশি হওয়ায় প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল ক্রয় কমিটি

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩২ অপরাহ্ণ, ২৭/১১/২০১৯

দাম বেশি হওয়ায় প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল রকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। জানা যায়, ২০ লাখ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) কেনার অনুমোদনের জন্য সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ। কিন্তু এর আগে একই পরিমাণ এমআরপি পাসপোর্ট কিনতে যে খরচ ধরা হয়েছিল এবার তার চেয়ে ৬৭ শতাংশ বেশি দাম প্রস্তাব করায় সেটি অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে কমিটি।

কমিটির সভা শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ২০ লাখ এমআরপির জন্য ৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয় প্রস্তাব করা হয়, যা গতবারের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি। তাই এই ক্রয় প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এখন তো প্রচুর পাসপোর্ট প্রয়োজন রয়েছে, এতে সমস্যা হবে কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, তাদেরকে (সুরক্ষা সেবা বিভাগ) আমরা এডভাইস (উপদেশ) দিয়েছি যেহেতু সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এগুলো কেনা হবে, সেহেতু এক্ষেত্রে টেন্ডার প্রয়োজন হবে না। সুতরাং তারা অন্য যারা এ ধরনের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে যদি দামটা কমাতে পারে, একই সঙ্গে সরবরাহ করার সময়টা কমাতে পারে তাহলে কেন নয়?

মন্ত্রী বলেন, সেটা করার জন্যই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ কাজটি পৃথিবীতে অসংখ্য কোম্পানি করে। তাই আমার বিশ্বাস তারা সফল হবে। একটু সমস্যা হলেও এটি আমাদের করতে হবে। কারণ ৬৭ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি অনেক বেশি। এতটা মূল্য বৃদ্ধি হলে আমাদের কমিটির পক্ষেও এটা অনুমোদন দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম সাংবাদিকদের জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এটা সম্পন্ন করে আবার কমিটিতে পাঠাতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘২০ লাখ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) কেনার কথা ছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের। কিন্তু এটা আজকে তারা প্রত্যাহার করে নিয়ে গেছে। আগের দামের চেয়ে বেশ দাম বেড়েছে। আগামী ডিসেম্বর থেকে পাইলট বেসিসে ই-পাসপোর্টে যাচ্ছি। তবে ই-পাসপোর্টে আমরা এখনই লার্জ স্কেলে যেতে পারছি না। তাই আরও এমআরপি পাসপোর্ট প্রয়োজন।’

Nagad

তবে আজকের প্রস্তাবে ২০ লাখ এমআরপি পাসপোর্ট কেনার জন্য যে দাম ধরা হয়েছে তা আগের তুলনায় অনেক দাম বেশি। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে আরও ৪-৫টি কোম্পানির সাথে দর কষাকষি করে একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ দর নির্ধারণ করে কমিটিতে পাঠাতে বলা হয়েছে।