১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে ২৪ ঘন্টা স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৭:৫৪ অপরাহ্ণ, ২৩/০১/২০২০

ছবি: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি বলেছেন, “দেশের ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে ২৪ ঘন্টা স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হবে। দেশের নিরাপদ মাতৃত্ব, শিশু মৃত্যুহার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে গ্রাম-গঞ্জেও ২৪ ঘন্টা স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের বিকল্প নাই। এজন্য কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসকসহ সেবা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাতে নিরাপদ অবস্থানের জন্য উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।”

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগস্ত ভোরের কাগজ পত্রিকার কনফারেন্স রুমে “ভোরের কাগজ ও এনজিও ফোরাম বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি।

দেশের স্যানিটেশন ব্যবস্থা তুলে ধরে আলোচকগণের বিভিন্ন তথ্যাদির প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, “দেশের ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিটিতে ন্যূনতম ২টি করে ব্যবহারযোগ্য টয়লেট প্রদান করা হয়েছে। এগুলোতে মহিলা ও পুরুষদের জন্য আলাদা করে দেয় হয়েছে। পরিচ্ছন্ন কর্মীর ঘাটতি থাকায় সব ক্লিনিকে সমানভাবে পরিচ্ছন্ন হয়তো নেই। তবে দ্রুতই পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে এবং তখন টয়লেটের অপরিচ্ছন্নতাও দূর হবে।”

এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, “দেশে বর্তমানে ৭২ ভাগ সরকারি হাসপাতালে উন্নত ও পরিচ্ছন্ন টয়লেট ব্যবস্থা রয়েছে। অবশিষ্ট ২৮ ভাগ টয়লেটের আধুনিকায়ন ও পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগও আমরা হাতে নিয়েছি। এ বছরই বাকী ২৮ ভাগ টয়লেট পরিচ্ছন্ন হবে বলে আশা করছি।”

সভায় ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, “১৯৯০ সালের দিকে গ্রামের মানুষ খোলা জায়গায় পয়োনিস্কাশন করতো। বর্তমান সময়ে পরিস্থিতি আমূল পরিবর্তন হয়েছে। এখন মানুষ কেবল টয়লেটই চায় না বরং আধুনিক টয়লেটের দিকে মানুষ ঝুকে গেছে। মানুষের চাহিদা ও মননশীলতায় বর্তমানে অনেক পরিবর্তন এসেছে।

ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের উপস্থাপনায় আলোচনায় আরো অংশ নেন-জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সাইফুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের জাতীয় পরামর্শক পলিসি সাপোর্ট-এর মনিরুজ্জামান, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ এর গবেষণা, পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের বিভাগীয় প্রধান মো. আহসান হাবিব, ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর ওয়াশ স্পেশালিস্ট মাহজাবিন আহমেদ, সিমাভি’র কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর অলোক মজুমদার, ইউএসটি’র নির্বাহী পরিচালক শাহ মো. আনোয়ার কামাল, ইউনিসেফ’র ড. মাহফুজার রহমান, ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্যা রুরাল পুওর’র পরিচালক মোহাম্মদ জোবায়ের হাসান, ব্র্যাক এর মো. জিল্লুর রহমানসহ আরো অনেকে।

সারাদিন/২৩ জানুয়ারি/ আরটি