‘যদি ভোট কারচুপির কোনো পরিস্থিতি হয় তাহলে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে’

জেষ্ঠ্য প্রতিবেদকজেষ্ঠ্য প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:১০ অপরাহ্ণ, ২৩/০১/২০২০

ঢাকা দক্ষিণের বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেছেন, আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আমরা মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আন্দোলনে রয়েছি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে রয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল জনগণ হবে ক্ষমতার মালিক, জনগণ হবে রাষ্ট্রের মালিক। ভোটের দিন যদি ভোট কারচুপির কোনো পরিস্থিতি হয় তাহলে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে তারা কিভাবে তাদের অধিকার সংরক্ষণ করবে এবং তারা তাদের প্রতিবাদ জানাবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় প্রচারণা শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রচারণা শুরু করেন ইশরাক। বেলা ১২টা পর্যন্ত ঢাবি এলাকায় প্রচারণা চালিয়েছেন তিনি। সেখান থেকে পরে হাইকোর্ট মাজার গেট সংলগ্ন এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন।

পরে বেলা সাড়ে ১২টায়-শ্যামপুর থানার ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের জুরাইন মাজারের ব্যাংক এশিয়ার সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে পোস্তগোলা, জুরাইন কবরস্থান, আরসিন গেট, টিঅ্যান্ডটি ও বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনি, গেন্ডারিয়া ডিআইটি প্লট, পাইপ রাস্তা, আবু হাজী প্রাইমারি স্কুল হয়ে ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের দয়াগঞ্জ মোড়ে এসে গণসংযোগ ও প্রচারণা শেষ হবে।

ইশরাক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে কথা বলে সাংবাদিকদের বলেন, স্যার খুব আন্তরিক হয়ে সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু এবং সাবলীল হবে বলে জানিয়েছেন। তিনি যে কথা বলেছেন যারা নির্বাচনের দায়িত্বে আছেন নির্বাচন কমিশন তারা উনার কথা আমলে নেবেন এবং নির্বাচন সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে পরিচালনা করবেন।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ইশরাক বলেন, যদিও আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নই। তারপরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক। আমার বাবা, মা, বোন এখান থেকে পড়াশোনা করেছেন। আমি এখানে এসেছি আপনাদের কাছে দোয়া চাইতে। আমার ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল রাজনীতি করার। এজন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমি যদি মেয়র নির্বাচিত হই তাহলে সিটি কর্পোরেশনের সকল সমস্যা নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করব।

ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, আশা করছি সামনের নির্বাচনে একটি সুষ্ঠু এবং সাবলীল পরিবেশ থাকবে। এখানে আসার জন্য আমি আপনাদেরকে স্বাগত জানাচ্ছি।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মোরশেদ হাসান খান, অধ্যাপক লুৎফর রহমান, সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক আকতার হোসেন খান, অধ্যাপক ড. আবদুর রশিদ, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান রতন, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজীব আহসান, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সিনিয়র সহ সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন প্রমুখ।

সারাদিন/২৩জানুয়ারি/টিআর