ই-পাসপোর্টের কারণে মানুষকে আর ধোঁকায় পড়তে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদকবিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১:১৮ অপরাহ্ণ, ২২/০১/২০২০

ছবি: ফোকাস বাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের কারণে মানুষকে আর ধোঁকায় পড়তে হবে না। অতীতে একটা সমস্যা ছিল পাসপোর্ট নিয়ে। একসময় গলাকাটা পাসপোর্টও প্রচলিত ছিল। আধুনিক ই-পাসপোর্টের কারণে সেটা আর কখনও হবে না। এখন আর মানুষ ধোঁকায় পড়বে না।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালে ২৪ নভেম্বর আমরা জনগণের জন্য মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) শুরু করি। ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে আগামী ১০ বছরের জন্য আমরা ই-পাসপোর্ট প্রদানের পদক্ষেপ নিয়েছি। এজন্য আমি ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই এই কাজ সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা যে প্রকল্প ই-পাসপোর্টের জন্য গ্রহণ করেছি, তাতে মনে করি বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। কারণ আমরা যে পাসপোর্ট দিতে যাচ্ছি, সেটি বায়োমেট্রিক। এতে এম্বেডেড ইলেকট্রনিক মাইক্রো প্রসেসর চিপ থাকবে। সেখানে যে পাসপোর্ট গ্রহণ করবে তার বায়োগ্রাফি ও বায়োমেট্রিক অর্থাৎ তার ছবি, ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং চোখের কর্নিয়া থাকবে। কাজেই আর মানুষ ধোঁকায় পড়বে না।

শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ এই আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন পাসপোর্ট গ্রহণ করেছে। প্রায় ১১৮টি দেশে এটি চালু হয়ে গেছে। কাজেই বাংলাদেশ হলো ১১৯তম দেশ। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষিত জাতি হিসেবে বাংলাদেশ যেন গড়ে উঠতে পারে সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশকে উচ্চমর্যাদায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সরকার চায় বাংলাদেশ উন্নত, সমৃদ্ধশালী ও আত্মমর্যাদাশীল হবে। আমরা অর্থনৈতিকভাবে আজকে এগিয়ে গেছি। দেশের মানুষেরও আর্থিক সচ্ছলতা এসেছে। এখন অনেকেই বিদেশে যায়। আমাদের প্রবাসী বিদেশিরা কাজ করে রেমিট্যান্স পাঠায়, যা এদেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রেখেছে। কাজেই তারা যেন কোনও হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে আমাদের লক্ষ রাখতে হবে।’

সারাদিন/২২জানুয়ারি/টিআর