একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

বিশেষ প্রতিবেদকবিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩:২৭ অপরাহ্ণ, ২১/০১/২০২০

ছবি: ফোকাস বাংলা

দেশের ৩২৯টি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) নির্মাণ করা হবে। এতে সরকার খরচ করবে ২০ হাজার ৫২৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে এই কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বর্তমান সরকারের ২৬তম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এক সভায় ‘উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

একনেক সভায় প্রায় ২২ হাজার ৯৪৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই অনুমোদন দেয়া হয়।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের জানান, একনেক সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ‘বিসিক শিল্প পার্ক, সিরাজগঞ্জ (তৃতীয় সংশোধনী)’ প্রকল্প, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘এসআরডিআই-এর ভবন নির্মাণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি (সিসিবিএস)’ প্রকল্প, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নার্সিং কলেজ স্থাপন, জামালপুর (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্প, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্প ও ‘কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর এলাকার নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘বেতগ্রাম-তালা-পাইকগাছা-কয়রা মড়ক যথাযথমানে উন্নীতকরণ’ প্রকল্প, ‘লক্ষ্মীপুর শহর সংযোগ সড়ক (আর-১৪৫) ও লক্ষ্মীপুর-চরআলেকজান্ডার-সোনাপুর-মাইজদী (জেড-১৪০৫) সড়ক প্রশস্তকরণ’ প্রকল্প এবং ‘ভোলা (পরান তালুকদারহাট)-চরফ্যাশন (জরমানিকা) আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি শিল্প-কারখানার পাশে জলাধার রাখতে বলেছেন। অনেক সময় অবকাঠামোতে আগুন লাগলে পানি পাওয়া যায় না। জলাধার থাকলে ভালো হয়। অনেক সময় দেখা যায় অবকাঠামো নির্মাণে মাটি কাটতেই হয়। সুতরাং সহজেই আমরা একটা জলাধার নির্মাণ করতে পারি। একইসঙ্গে শিল্প-কারখানায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে বলেছেন। প্রয়োজন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) ও তরল বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) অবশ্যই থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

ভবন নির্মাণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আবদ্ধ ঘর নির্মাণ না করে খোলামেলা ঘর নির্মাণ করতে হবে। ঘরের বারান্দা থাকতে হবে। যাতে করে ঘরের ভেতরে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে।’

সভার কার্যক্রমে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা অংশ নেন।

সারাদিন/২১জানুয়ারি/টিআর