শহীদ আসাদ দিবস পালিত

জেষ্ঠ্য প্রতিবেদকজেষ্ঠ্য প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪৩ অপরাহ্ণ, ২০/০১/২০২০

বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, স্মৃতি বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণসহ নানা আয়োজনে সোমবার শহীদ আসাদ দিবস পালিত হয়েছে।

ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে সকাল সাড়ে আটটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে শহীদ আসাদের স্মৃতিবেদিতে পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় দলীয় নেতাদের মধ্যে সেখানে ছিলেন আনিসুর রহমান মল্লিক, আমিরুল হক আমিন প্রমুখ।

সাম্যবাদী দল (এমএল) ঢাকা মহানগর শাখার আয়োজনে এক আলোচনা সভায় দলীয় প্রধান দিলীপ বড়ুয়া বলেন, শহীদ আসাদের আত্মদানের জন্য গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরশাসক আইউব-মোনেমের পতন ঘটেছিল। কিন্তু তাঁর আদর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশে এখনো কোনো সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

এ ছাড়া নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে ন্যাপ ভাসানীর আয়োজনে এক আলোচনা সভা হয়। এতে বক্তব্য দেন শেখ শওকত হোসেন নিলু, আলমগীর মজুমদার, পারভীন নাসের খান ভাসানী প্রমুখ।

১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজের ১১ দফা দাবির ভিত্তিতে সংগঠিত মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন আসাদুজ্জামান আসাদ।

জানা গেছে, ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্রসমাজের ১১ দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে জীবন দেন ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান।

আসাদ শহীদ হওয়ার পর তিন দিনের শোক পালন শেষে, ওই বছরের ২৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ছয় দফা ও ছাত্রদের ১১ দফার ভিত্তিতে সর্বস্তরের মানুষের বাঁধভাঙা জোয়ার নামে ঢাকাসহ সারা বাংলার রাজপথে। সংঘটিত হয় উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান। পতন ঘটে আইয়ুব খানের। আরেক স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় বসে সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

সত্তর সালের সেই অভূতপূর্ব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু ইয়াহিয়া ক্ষমতা না ছাড়ার জন্য নানা টালবাহানা শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় একাত্তর সালে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।
শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

সারাদিন/২০জানুয়ারি/টিআর