ফাইভজি শিগগিরই বাস্তবে রুপান্তর হবে: অর্থমন্ত্রী

ফাইভজি শিগগরিই বাস্তবে রুপান্তর হবে।  এটা এখন আর স্বপ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

শনিবার(১৮ জানুয়ারি) নগরীরর শেরে বাংলানগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২০ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রযুক্তির মহাসড়কের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

মোস্তফা জব্বার বলেন, সারা পৃথিবীতে ডিজিটাল শব্দটিকে বিপ্লবে রুপ দিয়েছে বাংলোদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার ১১ বছর পরে আমরা একটা মূল্যায়ন করেছি। আমরা জিজিটাল খাতে অনেক এগিয়েছি। আমরা দেশেই উৎপাদনের মাধ্যমে কম্পিউটার ও মোবাইলের চাহিদা পূররছি। আমরা সব সূচকেই এগিয়ে যাচ্ছি।

ডিজিটাল বাংলাদেশের সম্ভাবনা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বছরে সারাবিশ্বে পোশাকশিল্পের বাজার ৯০০ বিলিয়ন ডলার। অথচ  আইসিটি খাতের বার্ষিক চাহিদা ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। আমরা এখাতে ১ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গেছি। পোশাক শিল্পের মতোই মতো আমরা আইসিটি খাতে সক্ষমতা দেখাবো। আমাদের সুন্দর মন মানসিকতা রয়েছে। এই সেক্টরে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশের স্বগৌরব উপস্থিতি থাকবে জানিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, জাতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতাম। প্রথম শিল্প বিপ্লব ইংল্যান্ডে শুরু । প্রথম শিল্প বিপ্লব আমরা ফেইল করেছি, দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবও আমরা অংশগ্রহণ করতে পারি নাই। তৃতীয় শিল্প বিপ্লব চলমান, কিছু কিছু ক্ষেত্রে অংশ গ্রহণ করছি।  চতুর্থ শিল্প বিপ্লব নলেজ বেইজড সব কিছুই পরিবর্তন আসবে টেকনোলজির মাধ্যমে। একাধিকভাবে অনেক টেকনোলজি ব্যবহার করতে হবে।

কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকারের এদেশের শিল্পায়ন ঘটাবো। এর মাধ্যমে সবাইকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো।একদিকে শিল্পায়ন হবে অন্যদিকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। যারা বাংলাদেশে উৎপাদন তৈরি করতে আসবে তাদের পণ্যটি দেখতে হবে। আমাদের প্রধান কাজ হবে আমরা এসব এলাকায় কত রেভিনিউ অর্জন করতে পারবো কতটা কর্মসংস্থান হবে।  এই ‍দুটি বিষয়ে আমাদের বিশেষ নজর দিতে হবে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. নূর উর রহমান।

সারাদিন/১৮ জানুয়ারি/ এসআর