মুজিববর্ষের ক্ষণগণনার ঘড়ি স্থাপন করেনি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২:১৩ অপরাহ্ণ, ১৮/০১/২০২০

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও (ইবি) ক্ষণগননার ঘড়ি স্থাপন করার কথা থাকলেও এখনো ঘড়ি স্থাপন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ নিয়ে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে শিক্ষার্থীরা।

গত ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবর্ষের ক্ষণগণনা কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই কর্মসূচীর সঙ্গে মিল রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ও (ইবি) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনার উদ্বোধন করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী।

ওইদিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ক্ষণগণনা শুরু হয়। তবে ক্ষণগণনার জন্যে ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ঘড়ি স্থাপন করার কথা থাকলেও তা করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘড়ি স্থাপনের মধ্য দিয়ে মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয়। এদিন ইবির প্রধান ফটকেও ঘড়ি স্থাপন করার কথা ছিল। কিন্তু ঘড়ি প্রস্তুত না হওয়ায় দু’দিন বাদে এটি স্থাপনের ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। অনেক দিন পেরিয়েও এখনো ক্ষণগণনার ঘড়ি স্থাপন করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরেও ঘড়ি প্রস্তুত না হওয়ায় এমনটি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্টার ও বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন উপ কমিটির সদস্য সচিব নওয়ার আলী বলেন, ‘মুজিববর্ষের ক্ষণগণনার জন্য আমরা দুটি ঘড়ি অর্ডার করেছিলাম। কিন্তু কিছু সমস্যার কারণে তা হাতে পেতে একটু দেরি হয়েছে। আশা করছি, অতি দ্রুত ঘড়ি দু’টি লাগানো হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি অনিক হাসান বলেন, ‘মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নয়, এটি পুরো জাতির কাছে একটি গুরুত্ববহন করে। আর এটিতে অবহেলা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষণগণনার ঘড়ি লাগানো হোক।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘পুরো বাংলাদেশে যেখানে মুজিববর্ষের ক্ষণগণনার ঘড়ি স্থাপন করা হয়েছে। ইবি এখনো করেনি। খুব শীঘ্রই প্রশাসনের এর প্রতি দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন।’

সারাদিন/১৮ জানুয়ারি/ আরটিএস