নীল মুকুট ছাড়পত্র পেয়েছে

বিনোদন প্রতিবেদকবিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:২২ অপরাহ্ণ, ১৭/০১/২০২০

নির্মাতা কামার আহমাদ সাইমন ‘শুনতে কী পাও!’ চলচ্চিত্র দিয়ে বাংলাদেশে প্রশংসিত হয়েছেন। আর বিশ্বব্যাপীও তার প্রশংসা তুলে ধরা হয়। এরপর প্রতিনিয়তই বিশ্ব চলচ্চিত্র আসরগুলোতে বাহবার উপাধি পেয়েছেন। এবার তার নির্মিত চলচ্চিত্র আসছে, তার নাম ‘নীল মুকুট’।

চলচ্চিত্রটি এতোই ভালো হয়েছে যে তা কর্তন করতে হয়নি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের। এভাবেই সেখান থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।

কামার বলেন, আমি দারুন খুশিতে আছি। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটা ছবি সেন্সর বোর্ডে আটকে গিয়েছিলো। তাই স্বাভাবিক কারণেই একটু চিন্তিত ছিলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ বাংলাদেশ সেন্সর বোর্ডকে ‘নীল মুকুট’ আনকাট ছাড় দেওয়ার জন্য।

কামারের প্রথম ছবি ‘শুনতে কি পাও!’ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ, প্যারিসের সিনেমা দ্যু রিলে গ্রাঁপি ও মুম্বাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে স্বর্ণশঙ্খসহ দশটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয়েছিলো, দেখানো হয়েছিলো প্রায় অর্ধ-শতাধিক উৎসবে।

তারপর থেকেই ‘শিকলবাহা’ ও ‘অন্যদিন’র প্রযোজনা নিয়ে প্রযোজক সারা আফরীনের সাথে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কামার। আলোচনায় ছিলো ‘শিকলবাহা’, যার চিত্রনাট্যের জন্য ইতিমধ্যেই বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসব থেকে পেয়েছেন সম্মানজনক ডব্লিউসিএফ, ‘অন্যদিন’-এর চিত্রনাট্যের জন্য সম্মানিত হয়েছেন বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মঞ্চ লোকার্নোর পিয়াতজা গ্রান্দায়, পেয়েছেন ওপেন ডোর্সের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ও আর্তে ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ।

কামার জানালেন, মূলত এই দুই কাজের ফাঁকে ফাঁকেই নির্মিত হয়েছে ‘নীল মুকুট’।

Nagad

উৎসবের আগেই দেশে মুক্তি দেওয়া প্রসঙ্গে কামার বলেন, উৎসবে বা উৎসবের বাইরে নানান আয়োজনে বিদেশে আমার ছবি তো নিয়মিতই দেখাচ্ছে। কিন্তু একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন, ‘মাটির ময়না’র পর তারেক মাসুদের ‘অন্তর্যাত্রা’, ‘নরসুন্দর’ বা ‘রানওয়ে’ কোনোটাই বিদেশি উৎসবে তেমন একটা যায়নি। কারণ তার কাছে ছবিটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো, উৎসবটা না।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি নির্মাতার জন্য উৎসব অবশ্যই একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, কিন্তু উৎসবের জন্যই ছবি না। এই আলোচনা তোলাটা আমাদের সময়ে জরুরি মনে করেছি, তাই ঠিক করেছি উৎসব ছাড়াই দেশে মুক্তি দিবো এই ছবিটা।

সারাদিন/১৭জানুয়ারি/টিআর