এআই-এর জোরালো অভিজ্ঞতা দিতে বাজারে এল নোকিয়া ২.৩

এইচএমডি গ্লোবাল, নোকিয়া ব্র্যান্ড ফোনের নির্মাণ সংস্থা বাংলাদেশের বাজারে ‘নোকিয়া ২.৩’ মডেলের স্মার্টফোন ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। একইসাথে, ‘নোকিয়া ৮০০ টাফ’ ফোনটিও শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) থেকে বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ই জানুয়ারি) বিকালে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় নোকিয়ার ফোন স্টলে নতুন স্মার্টফোনটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক ফেরদৌস আহমেদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এইচএমডি গ্লোবাল বাংলাদেশ-এর হেড অব মার্কেটিং, ইফফাত জহুর; এইচএমডি গ্লোবাল-এর হেড অব সেলস অপারেশন, মোজাম্মেল খানসহ এইচএমডি গ্লোবাল ও সিএমপিএল-এর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা।

কি আছে ফোনটিতে?

‘নোকিয়া ২.৩’ মডেলের স্মার্টফোনটিতে রয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ক্যামেরা, যা ব্যাবহারকারীকে সেরা ছবি তোলার অভিজ্ঞতা দিবে। পাশাপাশি স্মার্টফোনটির দু’দিনের ব্যাটারি লাইফ এবং ৬.২ ইঞ্চির এইচডি+ স্ক্রিন বহুমাত্রিক বিনোদনও দীর্ঘস্থায়ী করার সুযোগ করে দিবে। আর সময়ের সাথে সাথে স্মার্টফোনটিকে আরো অত্যাধুনিক করে তুলতে অ্যান্ড্রয়েড™১০ ব্যাবহার করা ‘নোকিয়া ২.৩’তে গ্রাহকরা পাচ্ছেন তিন বছরের মাসিক সিকিউরিটি আপডেট এবং দুই বছরের অপারেটিং সিস্টেম(ও এস)আপডেট-এর প্রতিশ্রুতি। দেশের বাজারে আগামীকাল থেকে মাত্র ১০,৯৯৯ টাকায় তিনটি ভিন্ন কালারে (সায়ান গ্রীন, স্যান্ড ও চারকোল) পাওয়া যাবে নোকিয়ার নতুন এ স্মার্টফোনটি।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে ‘নোকিয়া ৮০০ টাফ’ বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছিল এইচএমডি গ্লোবাল। শীর্ষস্থানীয় ফিচার ফোন পোর্টফোলিওতে যোগ হতে যাওয়া ‘নোকিয়া ৮০০ টাফ’ হলো এইচএমডি গ্লোবাল-এর প্রথম মজবুত ফিচার ফোন। স্থায়িত্ব ও ব্যাটারি লাইফের দিক থেকে ‘বেঞ্চমার্ক’ বলে দাবিকৃত এই ফোনটিতে ব্যবহারকারীদের জন্যে সংযুক্ত করা হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় আধুনিক ফিচার যেমন গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ৪জি ব্যবহারের সক্ষমতা এবং ফেইসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় অ্যাপ। ‘নোকিয়া ৮০০ টাফ’ ফোনটি ডেসার্ট স্যান্ড কালারে আগামীকাল থেকে মাত্র ১০,২৫০ টাকায় সারদেশে পাওয়া যাবে।

সদ্য উন্মোচিত হওয়া ‘নোকিয়া ২.৩’-এর ডুয়েল ক্যামেরা এবং এর ‘রিকমেন্ডেড শট’ অপশন নোকিয়া ফোনের একদম নতুন একটি ফিচার, যা ব্যবহারকারীকে সেরা ছবি বেছে নিতে সাহায্য করবে। ‘রিকমেন্ডেড শট’ অপশনটি স্বয়ক্রিয়ভাবে শাটার প্রেসের আগে ও পরে অলটারনেটিভ ছবি ক্যাপচার করবে এবং সেরা ছবিটির পরামর্শ দিবে। পোর্ট্রেট মোড এবং লো-লাইট ইমেজিং মোডের মতো আরও অনেকগুলি এআই-নিয়ন্ত্রিত সুবিধা রয়েছে এ ফোনটিতে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন সেটিংস ব্যবহার করে ক্রিয়েটিভ ছবি তুলতে পারবেন।

‘নোকিয়া ২.৩’ ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে ডেডিকেটেড গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট বাটন যা ব্যবহারকারীকে মূল্যবান সময় বাঁচাতে সাহায্য করে।ব্যবহারকারী তাঁর ভয়েস ব্যবহার করেই দেখতে পারবেন ক্যালেন্ডার এন্ট্রি, ভ্রমণের সময় এবং অন্যান্য তথ্য। এছাড়াও ‘নোকিয়া ২.৩’ ফোনটিতে আছে বায়োমেট্রিক ফেইস রিকগনেশন, যার মাধ্যমে এক নজরে ডিভাইসটি আনলক করা যাবে।

নোকিয়া ৮০০ টাফ: মজবুত ও ব্যাটারি লাইফের নতুন হলমার্ক

বাজারের শীর্ষস্থানীয় ফিচার ফোন পোর্টফোলিওতে যোগ হতে যাওয়া ‘নোকিয়া ৮০০ টাফ’ হলো এইচএমডি গ্লোবালের প্রথম মজবুত ফিচার ফোন। যা বিশ্বজুড়ে স্থায়িত্ব ও ব্যাটারি লাইফের দিক থেকে ব্যবহারকারীদের একটি নতুন দিগন্তে নিয়ে যাবে। ‘নোকিয়া ৮০০ টাফ’ শুধুমাত্র পানি ও ধূলা নিরোধীই নয়, সেইসাথে হাত থেকে পরে যাওয়া থেকে রক্ষা করা, চরম তাপমাত্রা সহ্য করার সক্ষমতা দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে এটিকে দুঃসাহসিক ভ্রমণের আদর্শ সঙ্গী হিসাবে যে কেউ নিতে পারেন। এই ফোনটিতে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসবুকের মতো জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন, ৪জি সংযোগ এবং আরো অনেক আধুনিক ফিচার ব্যবহারকারীদের জন্যে সংযুক্ত করা হয়েছে। ‘নোকিয়া ৮০০ টাফ’-এর সাহায্যে, এইচএমডি গ্লোবাল গ্রাহকদের মধ্যে নতুন ফিচার পৌঁছানোর চেষ্টার অংশ হিসেবে বি২বি এবং এন্টারপ্রাইজ কাস্টমারদের হাতে টেকসই হ্যান্ডসেট প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। পাশাপাশি যারা অফিসের বাইরের কাজের জন্য ফোন খুঁজছেন তদের জন্য ‘নোকিয়া ৮০০ টাফ’ একটি নির্ভরযোগ্য ফোন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

নোকিয়া কর্পোরেশনের নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক হচ্ছে নোকিয়া।গুগল এলএলসি-এর ট্রেডমার্ক হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড, গুগল এবং অন্যান্য সম্পর্কিত ট্রেডমার্ক এবং লোগো। সকল স্পেসিফিকেশন, বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য পণ্য সম্পর্কিত তথ্য বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে প্রতিষ্ঠানটি। অফারের বিভিন্নতাও প্রয়োগ করতে পারে।