ধর্মঘটে স্থবির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্কআন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৫১ অপরাহ্ণ, ০৮/০১/২০২০

পশ্চিমবঙ্গে অর্থনীতিতে মন্দা, কর্মসংস্থানের বেহাল দশা, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বন্ধের প্রতিবাদ এবং সেই সঙ্গে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) ও জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জির (এনপিআর) বিরোধিতায় সাধারণ ধর্মঘট চলছে। বুধবার (৮ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকে দেশ জুড়ে ২৪ ঘণ্টার এই ধর্মঘট শুরু হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে এ রাজ্যে ধর্ঘটের মিশ্র প্রভাব পড়েছে। কলকাতায় যান চলাচল স্বাভাবিক। তবে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রেল অবরোধ করেন বাম নেতা-কর্মীরা। ফলে ওই জায়গায় রেল চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

ইস্যুগুলিকে সমর্থন করলেও, ধর্মঘট যে কোনও মতেই সমর্থন যোগ্য নয় তা মঙ্গলবারই (৭ জানুয়ারি) স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার এই অবস্থানকে ‘দ্বিচারিতা’ হিসেবেই চিহ্নিত করেছে সিপিএম।

বামদের অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূল ধর্মঘট বানচাল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এ নিয়ে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারিও শুনিয়ে দিয়েছে তারা। তাদের দাবি, কৃষক ও খেতমজুরদের ১৭৫টি সংগঠন ও ছাত্রদের ৬০টি সংগঠনও এই ধর্মঘটে শামিল হতে চলেছে।

এ দিকে ধর্মঘটের কথা মাথায় রেখে এ দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে নজরে রাখা হচ্ছে পরিবহণ সচল রাখার দিকটিও। জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে বুধবার অতিরিক্ত সরকারি বাস পথে নামিয়েছে রাজ্য সরকার। পথে বাড়তি বাস, মিনিবাস ও ক্যাব নামাতে ইতিমধ্যেই বৈঠকও সেরে ফেলেছেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই ধর্মঘটে ঝামেলার আশঙ্কায় দোকান খোলেননি ব্যবসায়ীরা। বৌবাজারে বন্ধ রাখা হয় সোনাপট্টি।

সারাদিন/৮জানুয়ারি/টিআর