ধর্ষণকারীকে দেখলে চিনতে পারবে মেয়েটি

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ণ, ০৭/০১/২০২০

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগম বলেন, ‘মেয়েটিকে দেখেছি। তার সাথে কথা হয়েছে। সে জানিয়েছে, সে আসামিকে দেখলে চিনতে পারবে। তার মাঝারি গঠন এবং বাকি সবকিছুই কেমন দেখতে সবকিছু সে বলতে পারবে।’

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রাজধানীর কুর্মিটোলায় ধর্ষণের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা পর তিনি একথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

অভিজ্ঞ চিত্রশিল্পীর মাধ্যমে আসামির ছবি আঁকার মাধ্যমে তাকে সনাক্ত করার চেষ্টা করার অনুরোধ জানান নাসিমা।

তিনি বলেন, মেয়েটি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার কাজ করেছে। সে ধর্ষণের আলামত নষ্ট হতে দেয়নি। ডিএনএ টেস্ট করার জন্য সে আলামতগুলো সংগ্রহ হয়েছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আশা করি আসামির ছবি আঁকার মাধ্যমে এবং ভিকটিমের ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে আসামির সাথে ডিএনএ নমুনা ম্যাচ করলে তাকে সনাক্তে অসুবিধা হবে না।

নাসিমা আরও বলেন, “ওসিসিতে পুলিশ, ডাক্তার, অ্যাডভোকেট আছে। তাদেরকে মেয়েটির যাবতীয় সব সহায়তা করার জন্য আমরা বলেছি। এখানে এই মেয়েটির ছাড়াও আটজন এই ধরনের ভিকটিম রয়েছে। তাদের সবার মামলার মনিটরিং করবো এবং এর বিচার, আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়ে মনিটরিং করবো।

তিনি বলেন, ডিএনএ ল্যাবটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত। এটি অধিদফতর গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। ডিএনএ আইনে স্পষ্ট বলা আছে আমাদের সকলের ডাটাবেস থাকবে সেখানে।

তিনি বলেন, যদি সবার ডিএনএ ডাটাবেজ থাকতো তাহলে এই মেয়েটির নিকট থেকে যে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে, তার মাধ্যমেই ইতিমধ্যে আসামি শনাক্ত করা যেত। এজন্য আমরা মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সরকারের কাছে আশা করবো, দ্রুত যেনো এটি গঠন করে।

রবিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে শেওড়ার উদ্দেশে রওনা দেন ঢাবির ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভুল করে তিনি শেওড়ার আগের স্টপেজে বাস থেকে নেমে যান। এ সময় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে রাস্তার পাশের ঝোপঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে।

ওই শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, ধর্ষণের ঘটনার পরে রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে ওই শিক্ষার্থী সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখান থেকে বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সারাদিন/৭জানুয়ারি/টিআর