মুজিববর্ষের ক্ষণগণনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৪:২৮ অপরাহ্ণ, ০৬/০১/২০২০

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।  যে কেউ এখন event.mujib100.gov.bd/ সাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় নিবন্ধন ছাড়া ঐতিহাসিক এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। নিবন্ধন করতে প্রয়োজন হবে আপনার নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেইল ও জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিকাল ৩টা থেকে এই নিবন্ধন শরু হয়। চলবে মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত। এরপর আর কেউ রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না।

আয়োজকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যথাযথভাবে অনালাইনে ফরম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রশন সম্পন্নকারীরা অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশনের পর ইনভাইটেশন ফরম প্রিন্ট করে সঙ্গে আনলেই হয়ে যাবে।

এদিকে এই মুজিববর্ষ শুরু হবে আগামী ১৭ মার্চ থেকে। শেষ হবে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ। এর ক্ষণগণনা শুরু হবে আগামী ১০ জানুয়ারি। এদিন বিকাল ৫টায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর লোগো এবং ক্ষণগণনা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে। এতে ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ অংশ নিতে পারবেন।

রবিবার (৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মুজিববর্ষ উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সারা দেশে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রতীকী আবহ থাকবে। একটি বিমান অবতরণ করবে, আলোক প্রক্ষেপণ থাকবে। বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল সেই প্রতীকী অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হবে। পুষ্পস্তবক অর্পণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সারদেশে ক্ষণগণনার যন্ত্র বসানো হবে। জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে, হাতিরঝিল, উত্তরা ও বাংলাদেশ সচিবালয়ে ক্ষণগণনার যন্ত্র বসানো হচ্ছে। এছাড়া ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ সারা দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৮টি ক্ষণগণনার যন্ত্র বসানো হচ্ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সিটি করপোরেশন ছাড়াও ৫৩টি জেলায় ক্ষণগণনার যন্ত্র বসানো হচ্ছে। টুঙ্গিপাড়া ও মুজিবনগরে বিশেষভাবে ক্ষণগণনার দুটি যন্ত্র বসানো হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ও ক্ষণগণনার ব্যবস্থা করছে।

Nagad

জেলা ও সিটি করপোরেশন ক্ষণগণনা মনিটরিং করা হবে কেন্দ্রীয়ভাবে। এছাড়া উপজেলাগুলোতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে ক্ষণগণনার যন্ত্র বসানো হচ্ছে।

জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে মুজিবর্ষের মূল অনুষ্ঠানে দুই লাখ মানুষ অংশ নিতে পারবে। মুজিববর্ষের প্রথম দিন আগামী ১৭ মার্চ প্রথম ভাগে আলোচনা, বিকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে বলেও জানানো হয়।

এ বিষয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানিয়েছেন, ‘জতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন করা যাবে ৭ই জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত। আসন সংখ্যা সীমিত । নিবন্ধন করতে প্রয়োজন হবে আপনার নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেইল ও জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার। রেজিস্ট্রেশন করে ঐতিহাসিক এ মুহুর্তের সাক্ষী হোন।’

এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘মুজিব বর্ষে’র ক্ষণগণনার অনুষ্ঠান নিয়ে মুজিব সম্পের্কে বিশেষ একটি ওয়েব সাইট চালু করা হয়েছে। যেখান থেকে বঙ্গবন্ধু এই ইভেন্ট ও শতবর্ষ উদযাপনে সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা যাবে। ওয়েবসাইটের ঠিকানা; mujib100.gov.bd