১৮ জানুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যে সব ‘ট্রাভেল করিডোর’ বন্ধ

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ, ১৬/০১/২০২১

সোমবার থেকে যুক্তরাজ্যে সব ‘ট্রাভেল করিডোর’ বন্ধ। করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন থেকে ঝুঁকি এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। এর মধ্যে কেউ যদি দেশটিতে প্রবেশ করতে চায় তাহলে তাকে কোভিড পরীক্ষার নেগেটিভ সনদ দেখাতে হবে।

জানা যায়, গত সামারে যুক্তরাজ্য ট্রাভেল করিডোর চালু করেছিল যুক্তরাজ্য। সেসময় বলা হয়েছিল, যেসব দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ একেবারেই কম সেসব দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে এলে কোয়ারেন্টিন পালন করতে হবে না। কিন্তু, সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে করোনার নতুন ধরন বা ভ্যারিঅ্যান্টের ব্যাপক সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সব ট্রাভেল করিডোর বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, নতুন এই নিয়ম কমপক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। স্থানীয় সময় সোমবার ভোর চারটা থেকে সব ধরনের ভ্রমণের পথ বন্ধ থাকবে।

ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। দিনের পর দিন আমরা আমাদের জনগণকে রক্ষা করার জন্য এমন সব পদক্ষেপ নিয়ে যাচ্ছি।’

এদিকে ব্রাজিলে শনাক্ত হওয়া নতুন ধরনের করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে দক্ষিণ আমেরিকা ও পর্তুগাল ফেরত যাত্রীদের ওপর গতকাল শুক্রবার থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে যুক্তরাজ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় সব ভ্রমণপথে কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে দেশটিতে।

অন্য দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে আগতদের প্রথমে এবং পাঁচদিন পরে নেগেটিভ এলে ১০ দিন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই কড়াকড়ি চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন বরিস জনসন।

Nagad

বরিস জনসন আরও বলেন, ‘আমারা করোনাভাইরাসের টিকার ব্যাপারে আশাবাদী এবং একই সঙ্গে নতুন যে স্ট্রেইন দেশের বাইরে থেকে আসছে সেটা বন্ধ করার জন্য আমাদের অবশ্যই অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।’

উল্লেখ্য যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৮৭ হাজার ২৯১ জন। সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে ৫৫ হাজার ৭৬১ জন নতুন করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যেটা আগের দিনে ছিল ৪৮ হাজার ৬৮২ জন।
এদিকে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, সারা বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যে ২০ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছে মহামারি শুরুর পর থেকে।