ঝাড়খণ্ডে বিজেপির পতন

নিউজ ডেস্কনিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ, ২৪/১২/২০১৯

ভারতে চলমান বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভের মাঝেই ঝাড়খণ্ডে ৮১ টি আসনে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যালট বক্সে মোদির বৈষম্যমূলক আইন ও নির্যাতনের জবাব দিতে ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা চলে। তবে ২০০০ সালে গঠিত হওয়া এ রাজ্যের চতুর্থ এ নির্বাচনের প্রতি দৃষ্টি ছিল পুরো ভারতবাসীর।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৮ টায় এই রাজ্যের ভোট গণনা শুরু হয়। বিজেপির বর্তমান প্রার্থির বিপরীতে ’ঝাড়খন্ড মুক্তি মঞ্চ’ নামে লড়াইয়ের নামে কংগ্রেস। সরকার গঠন করার জন্য ৪১ টি আসনের দরকার হয় এ রাজ্যে। সকাল থেকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ব্যবধান বাড়তে থাকে দুইদলের মাঝে।

অবশেষে ৪৬ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করার সক্ষমতা অর্জন করে কংগ্রেস জোট। অন্যদিকে বর্তমান ক্ষমতায় থাকা বিজেপি মাত্র ২৬ আসনে নির্বাচিত হয় যেখানে আগের নির্বাচনেও বিজেপি ৩৭ আসনে পেয়েছিল। ফলাফল ঘোষণার সাথে সাথে জোটপ্রার্থি হেমন্ত সোরেনের কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ শুরু করে।

বিজয়ের পর একে ঝাড়খণ্ডের জন্য নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলে অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসতে যাওয়া হেমন্ত। অন্যদিকে এ পরাজয়কে নিজের পরাজয় বলে স্বীকার করে একে বিজেপির পরাজয় নয় বলে দাবি করেন প্রদেশের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রাগুবার দাস। সারা দেশে এ নির্বাচন মোদি সরকারের জন্য একটি পরীক্ষা ছিল বলে চারদিকে আলোচনা চলছিল।

তবে এ নির্বাচন নিয়ে তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় বিজেপি নেতা অমিত শাহ জানায় ঝাড়খণ্ডের এ জন রায়ের প্রতি বিজেপির শ্রদ্ধা রয়েছে। এ নির্বাচনী ফলাফল ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন এক মেরুকরণ তৈরী করেছে বলেই দেখা যাচ্ছে। জাতিয় নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিজেপির জন্য এটা জনতার একটি স্পষ্ট বার্তা বলেই মনে করছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

সারাদিন/২৪ডিসেম্বর/টিআর