অবৈধ স্থাপনা ভাঙতেই হবে

নিজস্ব প্রতিনিধিনিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ, ২৪/১২/২০১৯

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশে হোটেল-মোটেলসহ অবৈধ সব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে বলেছেন সর্বোচ্চ আদালত। আর তা লাবনী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকার সব স্থাপনায় এর সঙ্গে যুক্ত। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক রায়ে এ আদেশ দেয়া হয়।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৭ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন। আদেশে আদালত বলেন, নতুন করে যেন কাউকে সমুদ্র তীরে লিজ না দেয়, সে বিষয়ে সরকারকে নজর রাখতে হবে। তা ছাড়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সমুদ্র তীরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সরকারকে নীতিমালা তৈরি করতে হবে।

রায়ের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, এ রায় একটি মাইলফলক, অবশ্যই তা বাস্তবায়ন করা হবে। এ রায় মানা না হলে, সরকার আদালত অবমাননার মামলা করবে। তবে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে হোটেল মালিকদের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরানুল কবীর বলেন, এতে পর্যটক কমে যাবে কক্সবাজারে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে কক্সবাজারের পর্যটন।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। যার সৌন্দর্যে মুগ্ধ দেশি-বিদেশি পর্যটক। এই সমুদ্রসৈকতের জিলেনজা মৌঝায় গড়ে উঠেছে প্রায় ২০টি থ্রি স্টার ও ফাইভ স্টার মানের হোটেল। রয়েছে আরো অসংখ্য ছোট বড় হোটেল-মোটেল। ১৯৯৯ সালে কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। কিন্তু সেই গেজেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ওই এলাকায় গড়ে তোলা হয় একের পর এক স্থাপনা।

এই নিয়ে ৫টি রিটের চূড়ান্ত রিভিউয়ের রায়ে ১৯৯৯ সালের পর নেয়া হোটেল সাইমন, সি গালসহ বড় বড় বেশ কিছু হোটেলের লিজ বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। রায়ে গুঁড়িয়ে দিতে বলা হয়েছে এসব স্থাপনা।

সারাদিন/২৪ডিসেম্বর/টিআর