সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে

বিশেষ প্রতিনিধিবিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২:৩৩ অপরাহ্ণ, ২২/১২/২০১৯

দেশজুড়ে এখনো কনকনে ঠাণ্ডা। তবে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ উঠে গেছে। যদিও রোববার (২২ ডিসেম্বর) কিছুটা ঠাণ্ডা কম অনুভূত হচ্ছে। আর সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) থেকে তাপমাত্রা বাড়বে, উন্নতির দিকে যাবে শৈত্যের পরিস্থিতি।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকালে যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোরের আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার দেশের সব জায়গা থেকে এই জেলায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) যশোরে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন ফরিদপুরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রের্কড করা হয়েছিল। শুক্রবারও (২০ ডিসেম্বর) যশোরে সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এদিন দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়।

এদিকে শীতজনিত রোগে গতকাল এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। শীতার্ত মানুষের জন্য এখনো কেউ এগিয়ে আসেনি বলে অভিযোগ এসেছে বিভিন্ন জেলা থেকে। কনকনে ঠাণ্ডার কারণে দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের।

এপ্রসঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, যে শীত পড়ছে, তাতে শীতকালীন সবজির ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এখন গম ও পেঁয়াজের সময়। বীজতলায় বোরো। তাপমাত্রার যে অবস্থা তাতে গম ও পেঁয়াজের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

তিনি আরও বলেন, তবে কনকনে শীত দীর্ঘ মেয়াদে থাকলে বীজতলায় থাকা বোরোর ক্ষতি হতে পারে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন শাখার পরিচালক কৃষিবিদ চণ্ডী দাস কুণ্ডু শনিবার এসব কথা বলেন।

আবহাওয়া অফিস থেকে জানা যায়, শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ফরিদপুরে ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের অধিকাংশ এলাকায় গড়ে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ছিল তাপমাত্রা।

সারাদিন/২২ডিসেম্বর/টিআর