আওয়ামী লীগের সঞ্চয় ছাড়িয়েছে ৫০ কোটি টাকা

বিশেষ প্রতিবেদকবিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:২৮ অপরাহ্ণ, ২৯/০৭/২০২০

২০১৯ সালের শেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তহবিলের আকার দাঁড়িয়েছে ৫০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা যা আগের বছরের চেয়ে ৩৫ শতাংশ বেশি। দলটির নগদ আছে পাঁচ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং ব্যাংকে জমা আছে ৫০ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৪০ কোটি টাকার এফডিআর রয়েছে।

বুধবার দুপুরে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বার্ষিক আয়-ব্যয় ও লেনদেন প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীরের কাছে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

আয়-ব্যয়ের হিসাবে বলা হয়, গত বছর দলের আয় হয়েছে ২১ কোটি ২ লাখ ৪১ হাজার ৩৩০ টাকা। একই সময়ে দলটি ব্যয় করেছে ৮ কোটি ২১ লাখ ১ হাজার ৫৭৫ টাকা।

আওয়ামী লীগ বলেছে, আগের বছরের মতোই দলের আয়ের একটি বড় অংশে এসেছে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে। এই খাতে দলের আয় ১২ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সম্মেলনে বাবদ দল পেয়েছে ৩ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮০০ টাকা। ব্যাংক লভ্যাংশ পেয়েছে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৭৫ হাজার ২২৩ টাকা। সাংসদদের চাঁদা থেকে এসেছে ১ কোটি ৭ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। বাকি টাকা এসেছে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের মাসিক চাঁদা, জেলাভিত্তিক প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ চাঁদা, সদস্য ফরম বিক্রি, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের হল ভাড়া, পত্রিকা প্রকাশনা-বিজ্ঞাপন, পুস্তক বিক্রিসহ অন্যান্য খাত থেকে।

ব্যয়ের হিসাবে আওয়ামী লীগ বলেছে, সবচেয়ে বেশি ৩ কোটি ৪৩ লাখ ১৪ হাজার ৮০০ টাকা ব্যয় হয়েছে দলের জাতীয় সম্মেলনে আয়োজনে। কর্মচারীদের বেতন, বোনাস, আপ্যায়ন ও অন্যান্য খাতে খরচ হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭০০ টাকা। বিভিন্ন অনুষ্ঠান করতে খরচ হয়েছে ১ কোটি ১৮ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৫ টাকা। সভাপতির দলীয় কার্যালয়ের ভাড়া পরিশোধ করা হয়েছে ৫৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া বাকি টাকা নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়, দলীয় কার্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ, ত্রাণ কার্যক্রম, পত্রিকা প্রকাশন, জেলা জনসভা ও দলীয় অন্যান্য কার্যক্রম, সাংগঠনিক খরচ, বিজ্ঞাপন ও পোস্টার প্রকাশনাসহ অন্যান্য খাতে খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।

সারাদিন/২৯জুলাই/এএইচ