রাজাকারের তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে তিন মন্ত্রণালয়ে টিপুর আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধিনিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩:০৪ অপরাহ্ণ, ১৮/১২/২০১৯

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু রাজাকারের তালিকা থেকে নাম বাদ ও প্রত্যাহার চেয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন। একই সঙ্গে যে তথ্যের ভিত্তিতে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে তার অনুলিপি সরবরাহ করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও আবেদন করেছেন তিনি।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের তিনি এ তথ্য দেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে গোলাম আরিফ টিপু বলেছিলেন, ‘আমি একজন ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। অথচ আমার নাম রাজাকারের তালিকায়! ২০১০ সালের ২৮ মার্চ সরকার আমাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব দিয়েছেন। অথচ আজ আমার নাম রাজাকারের তালিকায়! কীভাবে রাজাকার, আলবদর তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম এল, সেটা কীভাবে হল, এর উৎস খুঁজে বের করতে হবে। এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানাই।’

প্রসঙ্গত, ১৫ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তবে ওই তালিকায় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার নাম থাকায় তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

গোলাম আরিফ টিপু বলেন, আমি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চুয়ান্ন, বাষট্টি, ছেষট্টি, উনসত্তর, সত্তর এবং ঐতিহাসিক মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। আমি একুশে পদকপ্রাপ্ত। ২০১৩ সালের ২২ জুলাই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা।

টিপু আরো বলেন, মন্ত্রণালয় আমাকে মুক্তিযোদ্ধা সনদ দিয়েছে। আমি ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৮ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি অবিলম্বে ভুল সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে গণমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ করার দাবি জানান।

সারাদিন/১৮ডিসেম্বর/আর