হাসপাতাল ছেড়ে ‘বাড়িতে’ ঐশ্বরিয়া ও আরাধ্যা

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৫৩ অপরাহ্ণ, ২৮/০৭/২০২০

করোনা ভাইরাসের সাথে লড়াই করে সুস্থ হয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তার সাথে সুস্থ হয়ে উঠেছেন কন্যা আরাধ্যাও। তবে, এখনো হাসপাতালে ভর্তি অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেক।

সোমবার মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে মা ও মেয়ে জুহু বীচের বাড়ি ‘জলসা’য় ফিরেছেন। তবে আগের থেকে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও হাসপাতালেই রয়েছেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন ও ছেলে অভিষেক বচ্চন।

বলিউডের ছোট বচ্চন জানিয়েছেন, তার স্ত্রী-কন্যা এখন বাড়িতে থাকবেন। তবে তাকে ও তার বাবা অমিতাভ বচ্চনকে হাসপাতালেই থাকতে হবে। তারা এখনও সেরে ওঠেননি। তারা এখনও নানাবতী হাসপাতালেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়লে গত ১১ জুলাই ভারতীয় চলচ্চিত্রের ‘বিগ বি’ অমিতাভ এবং তার ছেলে অভিষেক হাসপাতালে ভর্তি হন। পর দিন অভিষেকের স্ত্রী ঐশ্বরিয়া এবং তাদের মেয়ে আরাধ্যার কোভিড-১৯ ধরা পড়ে। তবে অমিতাভের স্ত্রী জয়া বচ্চনসহ পরিবারের অন্যদের রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ আসে।

শুরুতে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকলেও ৮ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে ১৭ জুলাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৪৬ বছর বয়সী ঐশ্বরিয়া।

১৯৯৪ সালে মিস ইউনিভার্স খেতাব জেতা ঐশ্বরিয়া রাই তামিল সিনেমা দিয়ে রূপালি পর্দায় এলেও ১৯৯৯ সালে তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয় সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘হাম দিল দে চুকে সনম’। বাণিজ্যিকভাবে দারুণ সফল ওই চলচ্চিত্র ঐশ্বরিয়াকে ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ডও এনে দেয়।

২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া বানসালির ‘দেবদাস’ বলিউডে সাড়া জাগিয়ে কান চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়েছিল। এই সিনেমায় ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে ছিলেন মাধুরী দীক্ষিত, শাহরুখ খানের মতো তারকারা।

২০০৭ সালে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার পর সিনেমায় অনিয়মিত হয়ে পড়েন বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া। ২০১১ সালে তাদের কোল আলো করে আসে মেয়ে আরাধ্যা।

সারাদিন/২৮জুলাই/এএইচ