ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক নেমেছে সাড়ে ৪ হাজার পয়েন্টের নীচে

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:০৩ অপরাহ্ণ, ১৭/১২/২০১৯

অব্যাহত দরপতনে পুঁজিবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক সাড়ে চার হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে গেছে। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) ডিএসইর সূচক ৭৮ পয়েন্ট কমে চার হাজার ৪১৯ পয়েন্টে নেমে আসে। এটি আগের ৪২ মাসের মধ্যে সূচকের সর্বনিম্ন অবস্থান।

এর আগে ২০১৬ সালের ১০ জুলাই ডিএসইর প্রধান সূচক সাড়ে চার হাজার পয়েন্টের নিচে নেমেছিল। এদিকে পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের পিছনে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকেটকেই দায়ী করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, পুঁজিবাজারে যেভাবে প্রতিদিনই দরপতন হচ্ছে, তার কারণ বলা মুশকিল। তবে দেশের আর্থিক সেক্টরের সার্বিক প্রভাব পুঁজিবাজারে পড়েছে। এছাড়াও অব্যাহত দরপতনের কারণে বিনিযোগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) ডিএসইতে সূচকের পাশাপাশি কমেছে শেয়ার লেনদেনও। দিনশেষে ডিএসইতে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ আবারো ৩০০ কোটি টাকার নীচে নেমেছে। এদিন ডিএসইতে মাত্র ২৮১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এছাড়া, ৩৫৩ টি কোম্পানির ১০ কোটি ৮৩ লাখ ৫৬ হাজার ১২৪ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে।

লেনদেন হওয়া এসব শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৩৫টির, কমেছে ২৭৮ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির দাম।

দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৭৮ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৪১৯ পয়েন্টে নেমে আসে। ডিএসই শরিয়া সূচক ২০ পয়েন্ট কমে ৯৯৪ পয়েন্ট, ডিএসইএ-৩০, সূচক ৩০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫০৮ পয়েন্টে নেমে আসে।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার আরেক পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২৩০টি কোম্পানির ৭৩ লাখ ৯৩ হাজার ২০২টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া এসব শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৩৫টির, কমেছে ১৭৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

দিনশেষে সিএসইতে ১৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এদিন সিএসইর প্রধান সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩০ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৪৪১ পয়েন্ট নেমে আসে।

সারাদিন/১৭ডিসেম্বর/টিআর