পরিবর্তন আসছে বাজেটে, কমানো হবে মোবাইল খরচ

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল ফোন সেবার ওপর বাড়তি ৫ শতার্শ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করে ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ করা হয়। তবে সমালোচনার মুখে বাড়তি শুল্ক প্রত‍্যাহার করে ১০ শতাংশে করা হবে বলে জানা গেছে।

একটি সূত্র বলেছে, মোবাইল সেবায় কর বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেননি। মূলত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাড়তি কর প্রত্যাহারের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে, যা সোমবার (২৯ জুন) অর্থ বিলেরর মাধ্যমে সংসদে পাস হবে। অর্থ বিল পাশের মধ্য দিয়ে নতুন বাজেটের কর প্রস্তাবসমূহ কার্যকর হবে।

জানা গেছে, অর্থ বিল পাশের দিন সংসদে বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া সংশোধনী কর প্রস্তাবসমূহ উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী। তার পর কণ্ঠভোটে পাস হবে অর্থ বিল-২০২০। পরদিন ৩০ জুন মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পাস হবে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, এফবিসিসিআইসহ ব্যবসায়ীদের দাবিতে আয়কর ও আমদানি পর্যায়েও আরও কিছু কর প্রস্তাবের সংশোধনী আনা হতে পারে নতুন বাজেটে। কালো টাকা সাদা করার যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে তা অপরিবর্তিত থাকছে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির আগাম কর বৃদ্ধির প্রস্তাবও বহাল থাকছে।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাটেও কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবারের বাজেটে আপিলাত ট্রাইব্যুনাল ও আপিল কমিশনারেটে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে দাবিকৃত ভ্যাটের ১০ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ অর্থ পরিশোধ বা জমা রাখার বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হতে পারে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শুল্ক-করের ২২ হাজারের বেশি মামলা আছে। এসব মামলায় অনাদায়ি পড়ে আছে ৩২ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব।

এনবিআরের এক কর্মকর্তা বলেন, করোনাকালে জনগণকে স্বস্তি দিতে নতুন বাজেটে অনেক ছাড় দেওয়া হয়েছে। সংশোধনী প্রস্তাবে সব সুবিধা বহাল থাকছে।

সারাদিন/২৮জুন/এএইচ