সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়েই যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১:৩৮ অপরাহ্ণ, ৩১/০৫/২০২০

ছবি: ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ দুই মাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর নৌপথে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়েছে। রোববার (৩১ মে) সকাল পৌনে ৭টার দিকে প্রথম যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি সোনারতরী চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে সদরঘাট ছেড়ে যায়। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ঢাকা-বরিশালসহ ৩৪টি জেলায় লঞ্চ ও সরকারি স্টিমার সকাল থেকে চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক রফিকুল ইসলাম।

এমভি সোনারতরী পর একে একে এমভি গাজী এক্সপ্রেস -৪ জামাল-৪, পুবালী ও বোগদাদীয়া শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় বলে তিনি জানান।

সকাল ৮টায় ঢাকার লালকুঠি এলাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হয়েছে গ্রিন লাইন ওয়াটার সার্ভিস। এরপর বেলা ১১টা থেকে ঢাকা থেকে চাঁদপুরগামী লঞ্চ ও শরীয়তপুরের উদ্দেশে চলাচল শুরু হয়।
বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবে একাধিক লঞ্চ। এ ছাড়া সন্ধ্যা ৬টায় সরকারি স্টিমার মধুমতি বাদামতলী ঘাট থেকে বরিশাল, মোরেলগঞ্জ ও খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

এদিকে আজ সকালে চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে রাজধানীর সদরঘাটের উদ্দেশে চাঁদপুর ত্যাগ করেছে বেশ কয়েকটি লঞ্চ। দেশে সংক্রমণের মাত্রা যখন বাড়ছে তখন মহামারী ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ও সমালোচনার মধ্যেই ‘মানুষের জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে’ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করার বিকল্প নেই এমন যুক্তি তুলে ধরে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রোববার থেকে চালু হচ্ছে লঞ্চ চলাচল ও আর সোমবার থেকে চলবে বাস ও ট্রেন। তবে মহামারীর মধ্যে গণপরিবহণে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জারি করা ১৩ দফা স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন বলেন, সদরঘাটের আটটি প্রবেশপথে জীবানুমুক্তকরণ টানেল বসানো হয়েছে; হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সব নির্দেশনা অনুসরণ করা হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, “লঞ্চের ডেকে কোন যাত্রী কোথায় অবস্থান করবে তা চিহ্নিত করা হয়েছে।”

সারাদিন/৩১মে/এএইচ