‘চাল কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:০৭ অপরাহ্ণ, ১৩/০৪/২০২০

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার হুঁশিয়ারি করে বলেছেন, করোনাভাইরাস প্রভাব মোকাবেলায় খেটে খাওয়া ও কর্মহীন মানুষের জন্য প্রদত্ত ওএমএস এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল নিয়ে কোন ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ওএমএসের চাল কালোবাজারির সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রয়োগ করা হবে। পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের

কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ওএমএসের চাল বিতরণ কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতি করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে বরখাস্ত ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের কারণে শহর ও গ্রামে বিপুল সংখ্যক মানুষের আয়-রোজগারের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সব ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য সহায়তা হিসেবে খাদ্য মন্ত্রণালয় ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির অধীনে চাল বিতরণ করছে। প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনার আলোকে খাদ্য মন্ত্রণালয়/খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিষয়টির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছেন। কিন্তু পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সূত্রে জানা যায় যে, কিছু কিছু জায়গায় ওএমএসের চাল কালোবাজারি হচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি স্থানে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ওএমএসের চাল কালোবাজারির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রয়োগ করা হবে। পাশাপাশি এরুপ অনিয়ম বা দুর্নীতিতে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত করা, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়েরসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাদিন/১৩এপ্রিল/টিআর

Nagad