‘আমরা অতিথিকে দাওয়াত দিয়েছি এবং আমরা তার সম্মান রাখবো’

বিশেষ প্রতিবেদকবিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৬:৫২ অপরাহ্ণ, ০২/০৩/২০২০

নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেন, আমরা অতিথিকে দাওয়াত দিয়েছি এবং আমরা তার সম্মান রাখবো। পাশাপাশি আমরা আশা করবো আমাদের অতিথিরা এদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও উদ্বেগের বিষয়ে সজাগ থাকবেন। এমন আচরণ করবেন, যাতে করে আমাদের জনগণ খুশি হয়।

দিল্লিতে সাম্প্রদায়িক সংঘাতের পর মুজিববর্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অংশগ্রহণের বিরোধিতা করছে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সংগঠন। তবে মোদিকে অনুষ্ঠানের সবচেয়ে সম্মানিত অতিথি উল্লেখ করে তাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ১৭ মার্চের অনুষ্ঠানে যাদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে মোদি সবচেয়ে বেশি সম্মানিত। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, সৌজন্য সাক্ষাতে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি কবে নাগাদ হবে এ বিষয়ে পরিষ্কার কোনও জবাব দিতে পারেননি ভারতের পররাষ্ট্র সচিব।

সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, আমি তিস্তার বিষয়টি উঠিয়েছি এবং তিনি (শ্রিংলা) বলেছেন এটি ফয়সালা হয়ে আছে। কিন্তু, কিছু ছোট ছোট বিষয়ে আটকে আছে। এ বছর তিস্তা চুক্তি হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি সঠিকভাবে বলেননি এটি কবে হবে।

তবে মন্ত্রী বলেন, অন্যান্য ৬টি নদীর বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদান হবে। মোদির সফরের সময় এসব তথ্য আদান-প্রদানের সম্ভাবনা আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের সময় দুই দেশ নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছিল পানি বণ্টনের বিষয়ে। এবার ৬টি নদীর বা এক বা একাধিক নদীর পানি বণ্টনের তথ্য আদান-প্রদান হতে পারে।

সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি বলেছি, গত বছর থেকে এটি (সীমান্ত হত্যাকাণ্ড) অনেক বেড়েছে। এটি জনগণ গ্রহণ করে না।

এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও এনআরসি নিয়ে জানতে চাইলে দেশটির পররাষ্ট্র সচিব আশ্বস্ত করেছেন। তিনি বলেছেন এটি আমাদের সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে না। ‘আমি জানতে চাইলাম তোমাদের ভারত দুর্বল হচ্ছে কিনা এবং তিনি (সচিব) তার বক্তব্য দিলেন,’ যোগ করেন মন্ত্রী।

সারাদিন/২মার্চ/টিআর