চবি ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মারামারি, আহত ৫

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অনন্ত পাঁচ জন কর্মী আহত হয়েছে। রোববার (১মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় লেডিস হলের ঝুপড়িতে মারামারির এ ঘটে।

আহতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মেহেদী হাসান, পাভেল, মিলন, সুমন মির্জা ও রসায়ন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাথী মেহরাব উদ্দিন মিনহাজ। এদের মধ্যে মেহরাব উদ্দিন মিনহাজ সভাপতির অনুসারী বাকীরা সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী।

জানা গেছে, দুপুরে একাউন্টিং বিভাগের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলার নেতৃত্ব নিয়ে লেডিস ঝুপড়িতে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সভাপতির অনুসারীরা সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মারধর করে। এর জেরে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ঝুপড়িতে গিয়ে সভাপতির অনুসারী এক কর্মীকে মারধর করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে শাহ আমানত হলের সামনে সভাপতির অনুসারী ও শাহজালাল হলের সামনে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা জড়ো হয় এবং উভয়ের মধ্যে ইট পাটকেল ছোঁড়াছুঁড়ি হয়। পরে পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে ধাওয়া দিয়ে হলে ঢুকিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ শাহজালাল হলের গেট থেকে একটি রামদা উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এস এম মনিরুল হাসান বলেন, উভয় পক্ষের সিনিয়রদের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে। যদি তারা না বসে তাহলে আমরা কঠোর পদক্ষেপে যেতে বাধ্য হবো।

হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুম বলেন, তুচ্ছ একটি ঘটনাকে নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি ও আমরা বিষয়টি দেখছি। এ ছাড়া যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, ডিপার্টমেন্ট কেন্দ্রিক একটি বিষয় নিয়ে জুনিয়রদের মধ্যে ভুলবুঝাবুঝি হয়েছে। আমরা সিনিয়ররা বসে সমাধানের চেষ্টা করছি।

সারাদিন/১মার্চ/এএইচ