শুরু হচ্ছে বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০২০, মাসব্যাপী কার্যক্রম

শুরু হতে যাচ্ছে বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০২০- এর কার্যক্রম। যেটি আগামী এক মাস ধরে চলবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস ( বেসিস)-এর সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর। তিনি বলেন, আগামী ১৮ এপ্রিল এই আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীদের হাতে তুলে ধরা হবে। এজন্য মাসব্যাপী চলবে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম।

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বেসিস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ব্যাংক এশিয়া ও পেওনিয়ারের সহযোগিতায় বেসিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০২০’। যা আগামী একমাস ধরে চলবে। রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ বিচারকমণ্ডলী কর্তৃক বিভিন্ন ধাপে বাছাই যাচাই করে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ১০০টি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে। আউটসোর্সিং কোম্পানি ক্যাটাগরিতে ৫টি, স্টার্ট-আপ ক্যাটাগরিতে ১০টি, এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স ক্যাটাগরিতে ৮টি, জেলা পর্যায়ে ৬৪টি, ব্যক্তি নারী ক্যাটাগরিতে ৩টি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।

সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো সরকারের ২০২৪ সাল নাগাদ ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান গুলোকে উৎসাহিত করা। পাশাপাশি আমরা মনে করি যারা এখন ব্যক্তি-পর্যায়ে আউটসোর্সিং কাজে নিয়োজিত তারা যেন নিকট ভবিষ্যতে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে কোম্পানি গঠন করে বেসিসের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়ে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিতে পারে। তাছাড়া সরকার তখন রপ্তানি আয়ের উপর ১০% নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে যা কোম্পানিগুলোই কেবল নিতে পারবে। সেই সুবিধাও তারা যাতে পারে।

বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ডের আহ্বায়ক, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান বলেন, বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড বেসিসের একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। নানা কারণে গত তিন বছর আমরা এটি আয়োজন করতে পারিনি। আশা করছি এখন থেকে বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ডের বার্ষিক কার্যক্রম নিয়মিত ভাবে করা হবে।

তিনি বলেন, এবারে অ্যাওয়ার্ডে নতুন একটি ক্যাটাগরিতে যোগ করা হয়েছে। সেটি হল ‘এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড। সরকার ঘোষিত ১০ শতাংশ রপ্তানি ভর্তুকির জন্য যারা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আবেদন করেছেন তাদের মধ্য থেকে একটি প্রতিষ্ঠানকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।

ব্যাংক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী বলেন, বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড স্পন্সর হিসেবে ব্যাংক এশিয়া বিগত সময়েও বেসিসের সাথে একাত্ম হয়ে কাজ করেছে। সামনের দিনগুলোতেও করবে। বাংলাদেশের যে সব তরুণ অনলাইন আউটসোর্সিং করছেন তাদের উপার্জিত অর্থ দ্রুত সময়ের মধ্যে সহজ উপায় দেশে আনার জন্য ব্যাংক এশিয়া এবং পেওনিয়ার যৌথভাবে কাজ করছে। এই খাতের সফলতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবলমাত্র ২০১৯ সালের অনলাইন আউটসোর্সিং থেকে ৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যাংকে জমা হয়েছে।

এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বেসিসের সহ-সভাপতি (প্রশাসন) শোয়েব আহমেদ মাসুদ, বেসিস সহ-সভাপতি (অর্থ) মুশফিকুর রহমান, বেসিস পরিচালক রাশাদ কবির, প্রমুখ

বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০২০ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ttps://outsourcingaward.basis.org.bd/

সারাদিন/২৯ ফেব্রুয়ারি