‘আমরা সমুদ্রের তীর ঘেঁষে উচ্চ-স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেব না’

বিশেষ প্রতিবেদকবিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৯:৩০ অপরাহ্ণ, ১৯/০২/২০২০

আমরা সমুদ্রের তীর ঘেঁষে উচ্চ-স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেব না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় পৃথিবীর বৃহত্তম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে উঁচু স্থাপনা নির্মাণ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে কক্সবাজার এলাকায় নির্মাণাধীন তিনটি স্পেশাল ট্যুরিজম পার্কের (বিশেষ পর্যটন উদ্যান) মাস্টার প্ল্যান অবলোকনকালে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কতৃর্পক্ষকে (বেজা) মহেশখালীতে সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্ক, টেকনাফ উপজেলায় নাফ ট্যুরিজম পার্ক (এনএএফ) এবং সাবরং ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বেপজার মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী মহেশখালী উপজেলায় সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্ক, টেকনাফ উপজেলার টেকনাফ সদর ইউনিয়ন নাফ ট্যুরিজম পার্ক, সাবরাং ইউনিয়নে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হবে। কয়েক ধাপে ৯ বছরে ৮ হাজার ৯৬৭ একর জমিতে সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক তৈরি করা হবে। প্রথম ধাপের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা দুই বছর ধরা হয়েছে। ১ হাজার ৪৭ একর জমিতে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক এবং ২৯১ একর জমিতে নাফ ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলা হবে। মাস্টারপ্ল্যান দেখার পর প্রধানমন্ত্রী সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক কেবলমাত্র বিদেশি পর্যটকদের জন্য গড়ে তোলার নির্দেশনা দেন।

ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসের মতো দুর্যোগ সহনশীল করে ট্যুরিজম পার্কের বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ এবং এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রেখেই ট্যুরিজম পার্ক নির্মাণ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনটি পার্কের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সাবরং ট্যুরিজম পার্কটি শুধু বিদেশিদের জন্যই নির্মাণের নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, “এটি এমনভাবে নির্মাণ করতে হবে যাতে অন্যান্য দেশের পর্যটকেরা এর প্রতি আকর্ষিত হয় এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে আসে।”

নাফ ট্যুরিজম পার্কের বিষয়ে শেখ হাসিনা আগামী তিন বছরের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

এ সময় বেপজার ঊর্ধ্বধন কর্মকর্তারাসহ এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি ইহসানুল করিমসহ অন্যান্যরা।