চিত্রনায়ক মান্নার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ, ১৮/০২/২০২০

ঢাকাই সিনেমার এক সময়কার জনপ্রিয় নায়ক মান্নার ১২তম মৃত্যু বার্ষিকী সোমবার (১৭ফেব্রুয়ারি)। রাজধানীর উত্তরার বাসায় মান্নার জন্য কোরআন খতম ও দোয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২০০৮ সালের এই দিনে আকস্মিক না ফেরার দেশে চলে যান আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এই নায়ক।

তার স্মরণে মান্না ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শেলী মান্নার নেতৃত্বে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। রাজধানীর উত্তরার বাসায় মান্নার জন্য কোরআন খতম ও দোয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

টলিউডের জনপ্রিয় এই নায়ক ১৯৮৪ সালে বিএফডিসি আয়োজিত নতুন মুখের সন্ধানে কার্যক্রমে অংশ নিয়ে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন। ওই বছরই তার প্রথম অভিনীত ছবি ‘তওবা’ মুক্তি পায়। কিন্তু একক নায়ক হিসেবে তার উত্থান বা জনপ্রিয়তা ১৯৯১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘কাশেম মালার প্রেম’ ছবি দিয়ে। প্রায় সাড়ে তিনশ ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ২০০৮ সালে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ঢালিউডের রাজত্ব করে গিয়ে ছিলেন তিনি।

মান্না শুধু জনপ্রিয় চলচিত্র অভিনেতাই ছিলেন না, ছিলেন একজন সফল চলচ্চিত্র প্রযোজকও। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম কৃতাঞ্জলি চলচ্চিত্র ব্যানারে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- লুটতরাজ , লাল বাদশা, আব্বাজান, স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ, দুই বধূ এক স্বামী, মনের সাথে যুদ্ধ, মান্না ভাই ও পিতা মাতার আমানত।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবি হচ্ছে- ‘সিপাহী’, ‘যন্ত্রণা’, ‘অমর’, ‘পাগলী’, ‘দাঙ্গা’, ‘ত্রাশ’, ‘জনতার বাদশা’, ‘লাল বাদশা’, ‘আম্মাজান’, ‘দেশ দরদী’, ‘অন্ধ আইন’, ‘স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ’, ‘অবুঝ শিশু’, সিটি টেরর, ‘মায়ের মর্যাদা’, ‘মা-বাবার স্বপ্ন’, ‘হৃদয় থেকে পাওয়া’, ‘মনের সাথে যুদ্ধ’, ‘বড় লোকের জামাই’ ইত্যাদি। তিনি ‘বীর সৈনিক’

এস এম আসলাম তালুকদার ওরফে মান্না ১৯৬৪ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

সারাদিন/১৭ফেব্রুয়ারি/টিআর/এএইচ