‘চীনে অবস্থান করা আরও ১৭১ শিক্ষার্থীকে দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে’

বিশেষ প্রতিবেদকবিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৪:৫৫ অপরাহ্ণ, ১৬/০২/২০২০

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, মরণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে চীন থেকে ফিরতে ইচ্ছুক আরও ১৭১ শিক্ষার্থীকে দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় চীনকে সবধরনের সহায়তা করা হবে। বিশেষ করে মাস্ক, হ্যান্ড সেনিটাইজারসহ কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস বাংলাদেশ থেকে চীনে পাঠানো হবে। এর আগে মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সরকার তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনবে না।

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘চীন থেকে যেসব শিক্ষার্থী দেশে ফিরতে চায় আমরা তাদের দেশে নিয়ে আসব।’

চীনের উহান শহরে ভয়াবহ আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসের কারণে সেখান থেকে সরকারি খরচে ৩১২ জন শিক্ষার্থীকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয় ১ ফেব্রুয়ারি। তাদের ছাড়া আরও ১৭১ শিক্ষার্থী দেশটির অন্য একটি প্রদেশে অবস্থান করছে। ৩১২ শিক্ষার্থীকে ফেরানোর পর সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা আসে চীনে থাকা শিক্ষার্থীদের সরকার ফেরাবে না।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন জানান, সরকারের অনেক টাকা খরচ হয়েছে ৩১২ জনকে দেশে আনতে। বাকিদের সরকার ফেরাবে না। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, সরকারের ফান্ডে টাকার অভাব নেই।

করোনাভাইরাস শনাক্তে দুই দিনের মধ্যে বাংলাদেশকে ৫০০ কিট দেওয়া হবে বলে জানান চীনের রাষ্ট্রদূত। করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৬৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার।

সারাদিন/১৬ফেব্রুয়ারি/টিআর