কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:২৫ অপরাহ্ণ, ১৪/০২/২০২০

কর্ণফুলী নদীর নিচে টানেল নির্মাণের কাজ দ্রুততার সাথে সামনের দিকে এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে। কক্সবাজার-টেকনাফের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করবে। এর পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার ক্ষেত্রে এই টানেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ চৌধুরী।

চীনের সাংহাইয়ের আদলে ওয়ান সিটি টু টাউন এই ধারণাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে চলেছে টানেল নির্মাণের কাজ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ করতে যাচ্ছে। চার লেন বিশিষ্ট, দুইটি টিউব সংবলিত ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার লম্বা টানেলের ১ হাজার ২২০ মিটার বোরিং মেশিনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে খনন করে রিং বসানো হয়েছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ আশিক ইমরান বলেন, আমরা কক্সবাজার-টেকনাফকে বিশ্বমানের করার জন্য যে পরিকল্পনা নিয়েছি, সেটা বাস্তবায়নে এটা বিশাল ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রাম বন্দরকে পুরোপুরি ব্যবহার করা ও দক্ষিণ চট্টগ্রাম তথা কক্সবাজার-টেকনাফের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার ক্ষেত্রে এ টানেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যবসায়ীদের। সেই সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় বাড়বে বিদেশি বিনিয়োগও।

চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে টানেল নির্মাণ করছে। টানেল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানা গেছে, স্বপ্নের এক প্রকল্প কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল। দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম, যা নদীর দুই পাড়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করবে। প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ে, সিটি আউটার রিং রোড, দক্ষিণ পাড়ের আনোয়ারার সঙ্গে সংযুক্তি, চীনা ইকোনমিক জোন, পারকি সমুদ্র সৈকত- সবমিলে সেই অপার সম্ভাবনা বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে এই টানেলের মধ্য দিয়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের প্রকল্প পরিচালক জানান, প্রকল্পের মেয়াদ ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। কাজের অগ্রগতি বেশ সন্তোষজনক।

সারাদিন/১৪ফেব্রুয়ারি/টিআর