বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে: রাষ্ট্রপতি

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহ্ণ, ০১/১২/২০১৯

বর্তমানে সরকার কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাওয়ার জন্য র্দীঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান সুবিধাগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুণগত উচ্চশিক্ষা দেওয়ায় ব্রতী হবে বলে আমার বিশ্বাস।

রবিবার (০১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) পঞ্চম সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ প্রকৌশলী সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যে দেশ যত বেশি উন্নত, সে দেশ তত বেশি সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। কিন্তু আমাদের বিপুল মানবসম্পদ থাকা সত্ত্বেও কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় অর্জিত না হওয়ায় আশানুরূপভাবে এগোতে পারিনি।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, সার্টিফিকেট দেওয়া এবং শিক্ষার প্রসারই শেষ কথা নয়। অমাদের প্রয়োজন যুগোপযোগী শিক্ষা। বর্তমানে প্রতিনিয়ত যুগে তাল মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তিত হচ্ছে। কাজেই আমাদেরও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।

এর আগে দুপুর আড়াইটায় সমাবর্তন শোভাযাত্রা সহকারে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো থেকে পাঠের পর রাষ্ট্রপতি সমাবর্তন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে ডিগ্রি উপস্থাপন ও দেওয়া পর্ব, পিএইচডি ডিগ্রিপ্রাপ্তদের সনদপত্র দেওয়া, বিশেষ অতিথির বক্তব্য, সমাবর্তন বক্তার বক্তব্য ও সমাবর্তন স্মারক দেওয়া শেষ হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি ভাষণ শুরু করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক রফিকুল আলম শেখ। এবারের সমাবর্তন বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াটেক অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুর রহমান।

Nagad

এতে আমন্ত্রিত অতিথি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আব্দুস সোবহান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ছাদেকুল আরেফিন মাতিন উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়টির পঞ্চম সমাবর্তনে অংশ নিতে দুই হাজার ৫৮৬ জন গ্র্যাজুয়েট নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে দুই হাজার ৫১৬ জন স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং ৭০ জন পিএইচডি গবেষকসহ স্নাতকোত্তর সমাপ্ত করা ইঞ্জিনিয়ার।

সারাদিন/১ডিসেম্বর/আর