ডিজিটাল পদ্ধতি দিয়ে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩:২৬ অপরাহ্ণ, ০৯/০২/২০২০

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, সম্পদ ও সুরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী কাজ করছে। তাই দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার। দক্ষতার সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ আরও বাড়ানো হবে। আর ডিজিটাল পদ্ধতি দিয়ে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজের গ্র্যাজুয়েশনের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বে সম্মান ও দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। তাই বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এখন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান রাখছে। কাজেই তাদেরকে আমি সম্পূর্ণ আধুনিকভাবে গড়ে তুলতে চাই। যে কোনো দেশের সঙ্গে যেন তারা তাল মিলিয়ে চলতে পারে, যে কোনো দেশের অবস্থা যেন মোকাবেলা করতে পারে।’

‘আমাদের সেনাবাহিনী যেখানেই কাজ করছে সেখানেই তারা সুনাম অর্জন করছে। তাদের সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, শুধু একজন সামরিক অফিসার হিসেবে না, তারা মানবিক গুণাবলীর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিচ্ছেন। সেজন্য সশস্ত্র বাহিনীকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই,’ তিনি আরও বলেন, তিনি।

দক্ষতার সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ আরও বাড়াতে হবে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী দিনে সন্ত্রাসবাদের সম্ভাব্য ঝুঁকি প্রতিরোধের কথা মাথায় রেখেই কাজ করছে সরকার৷ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রশিক্ষণে ডিজিটাল পদ্ধতি কাজে লাগাতে হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে ২৩৫ জন কোর্স সম্পন্নকারী গ্র্যাজুয়েটের হাতে সনদ তুলে দেন তিনি।

সশস্ত্র বাহিনীর মধ্য স্তরের নির্বাচিত কর্মকর্তাদের কমান্ড ও স্টাফ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনে দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয় সামরিক বাহিনী কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ। প্রতি বছর এখানে উচ্চতর পর্যায়ের প্রশিক্ষণ নিতে অংশ নেন দেশ-বিদেশের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ১২৫ জন, নৌবাহিনীর ৩৪ জন, বিমান বাহিনীর ২২ জন কর্মকর্তার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরবসহ ২৩ দেশের ৫৭ জন কর্মকর্তা ও ২৪১ প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

সারাদিন/৯ডিসেম্বর/টিআর